kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১         

শ্যামনগরে আ. লীগে সংঘর্ষ, আহত ১৫

পুলিশের গুলিতে পাঁচজন খুমেক হাসপাতালে

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল রবিবার বিকেলে দুই ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষকালে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে পুলিশের ছোড়া গুলিতে পাঁচজন আহত হয়েছে।

জানা গেছে, গতকাল বিকেলে উপজেলার বংশীপুর বাসস্ট্যান্ডে ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট শোকর আলী এবং সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান সাদেমের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ একে একে ২৯ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ আক্তার আলী, আব্দুস সালাম, আব্দুল আলিম, আবু সাইদ ও নুর মোহাম্মদকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) পাঠানো হয়।

স্থানীয় লোকজন জানায়, গতকাল ভোরে অ্যাডভোকেট শোকর আলীর সমর্থকরা আব্দুল আলিম সাদেমের সমর্থক আসমতকে মারধর করে। এর জের ধরে দুপুরের দিকে উভয় পক্ষের সমর্থকরা লাঠিসোঁটা নিয়ে বংশীপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।

অ্যাডভোকেট শোকর আলী এ বিষয়ে বলেন, ‘আওয়ামী লীগে যোগদানের পর থেকেই সাদেকুর রহমান সাদেম অহেতুক আমার সঙ্গে গোলযোগ বাধানোর পাঁয়তারা করে আসছে।’ অন্যদিকে সাদেকুর রহমান সাদেম বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগে যোগদান করায় প্রতিহিংসাবশত অ্যাডভোকেট শোকর আলীর নেতৃত্বে তার লোকজন আমার সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

শ্যামনগর থানার ওসি আনিসুর রহমান গতকাল সন্ধ্যায় জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশের গুলিতে আহত হওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়তে বাধ্য হয়েছে। এ সময় কেউ আহত হয়ে থাকতে পারে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা