kalerkantho

প্রতিবাদী নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা

পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্য-জেরা

ফেনী প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্য-জেরা

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার আলোচিত ঘটনায় করা মামলায় গতকাল মঙ্গলবার আরো পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। এ নিয়ে ৭৯ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হলো।

আদালত সূত্রের বরাত দিয়ে জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি হাফেজ আহাম্মদ সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এরপর আসামিদের আইনজীবীরা তাঁদের জেরা করেন। এ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন পরিদর্শক মো. জুয়েল মিয়া, উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল আমিন শেখ, মো. ময়নাল হোসেন, মো. নুরুল করিম ও মো. হায়দার আলী আকন। আজ বুধবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়ে বলেন যে তাঁরা বিভিন্ন এলাকা থেকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করেছেন। এর মধ্যে হাফেজ আব্দুল কাদেরকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় তাঁর এক ভাইয়ের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইফতেখার উদ্দিন রানাকে রাঙামাটির টিএনটি কলোনিসংলগ্ন এলাকার এক বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নুর উদ্দিনকে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে কৃষকের ছদ্মবেশে গ্রেপ্তার করেন পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান। পরে তাঁকে সোনাগাজী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শাহাদাত হোসেন শামীমকেও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এমরান হোসেন মামুনকে পালিয়ে যাওয়ার পথে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, আসামি শাহাদাত হোসেন শামীমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন সেটটি রাজধানীর পূর্ব রামপুরা এলাকায় তার মেজো ভাইয়ের বন্ধু এমদাদ হোসেন পিংকেলের বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে তা জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ পাঁচ সাক্ষী কোন আসামিকে কবে, কখন, কোন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছেন তার বিশদ বর্ণনা দেন।

মন্তব্য