kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

ন্যাম ফ্ল্যাট খালি করতে যেভাবে বাধ্য করা হলো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংসদীয় কমিটির লাল নোটিশ, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর হুশিয়ারিতেও এমপি হোস্টেলের (ন্যাম ভবন) বাসা ছাড়ছিলেন না মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য। সর্বশেষ সংসদীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই ফ্ল্যাটগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর অনেকটা বাধ্য হয়েই তাঁরা ফ্ল্যাট ছেড়ে গেছেন। তবে একজনের ফ্ল্যাটের চাবি এখনো বুঝে পায়নি সংসদ সচিবালয়।

সূত্র জানায়, বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও এমপি হোস্টেলের কয়েকটি ফ্ল্যাট খালি না হওয়ায় ফ্ল্যাটগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয় এমপিদের আবাসন ব্যবস্থা দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংসদীয় কমিটি। সে অনুযায়ী গত সপ্তাহে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের চার নম্বর ভবনের ৪০১, দুই নম্বর ভবনের ৯০৩, ছয় নম্বর ভবনের ৯০২সহ কয়েকটি ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে গণপূর্ত বিভাগ। এরপর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাঁদের দখলে থাকা ওই সব ফ্ল্যাটের চাবি সংসদ সচিবালয়ের হোস্টেল শাখাকে বুঝিয়ে দেন। তবে এখনো একজনের ফ্ল্যাটের চাবি পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের নতুন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের অনেকে মন্ত্রিপাড়ায় বাসা নিলেও এমপি হোস্টেলের বাসা দখলে রাখেন। নিয়মবহির্ভূতভাবে ওই বাসায় তাঁদের আত্মীয়-স্বজন, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের থাকতে দেখা যায়। গত ১১ জুলাই সংসদ অধিবেশন শেষে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দুজন মন্ত্রী, পাঁচজন প্রতিমন্ত্রী ও একজন উপমন্ত্রীকে চূড়ান্ত নোটিশও দেওয়া হয়। সর্বশেষ ফ্ল্যাটগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

আইন প্রণেতাদের আবাসস্থল ‘এমপি হোস্টেল’ হিসেবে ব্যবহৃত হয় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ন্যাম ফ্ল্যাটের ছয়টি ও নাখালপাড়ার পুরনো এমপি হোস্টেলের চারটি ভবন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা