kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

ওবায়দুল কাদের বললেন

বিএনপিকে উদ্ধার করতে জরুরি অবস্থা দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি ডেঙ্গু নিয়ে রাজনীতি করছে। দেড় বছরেও খালেদা জিয়ার জন্য দেড় মিনিট যারা আন্দোলন করতে পারেনি, যারা বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে ব্যর্থ, জরুরিভাবে তাদের বিপদ-সংকট থেকে উদ্ধার করার জন্য জরুরি অবস্থা দরকার।’ গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে আনন্দ সিনেমা হলের সামনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের ওই সময় আওয়ামী লীগ ঘোষিত তিন দিনব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির শেষ দিনের কর্মকাণ্ডে অংশ নেন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫ নম্বর অঞ্চলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন।

বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নির্দেশ—এই অঙ্গীকারে ও এডিস মশা প্রতিরোধে সরকার কর্মতৎপরতা শুরু করেছে। সর্বাত্মকভাবে একে লড়াই হিসেবে নিয়েছে। কিন্তু অনেকে কাজে নেই, তারা কখনো বলে মহামারি ঘোষণা করো, কখনো বলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করো। জরুরি অবস্থা তাদের দরকার, যারা জরুরি সংকটে আছে। দল হিসেবে ব্যর্থতার দগদগে ঘা যাদের, যারা শুধু ব্যর্থ, নির্বাচনে ব্যর্থ, আন্দোলনে ব্যর্থ।’

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সারা দেশে চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হচ্ছে বলে জানান কাদের। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের তিন দিনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শেষ হলো। তবে যত দিন না এডিস মশার আক্রমণ থেকে দেশের জনগণকে রক্ষা করতে পারব, তত দিন এই পরিচ্ছন্নতামূলক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। গতকাল বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সারা দেশে চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ মনিটরিং সেল গঠন করা হবে।’

অতিকথন থেকে বিরত থাকার আহ্বান : সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা কথা বলব না, কাজ করব। এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল, এই সময় অতিকথন দেশের জন্য খারাপ ফল বয়ে আনতে পারে। অতিকথন থেকে আমি দায়িত্বশীল সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ কাদের বলেন ‘একটা মহল আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, যাতে ঈদের সময় মানুষ বাড়িঘরে না যায়। বাড়িঘরে কেন যাবে না? সবারই ইচ্ছা আছে পরিবার-পরিজন নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করার। সবাই যাবেন, কিন্তু সতর্ক থেকে ঈদ উদ্‌যাপন করবেন।’

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা