kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের ভূমিকা আরো দৃশ্যমান হবে

আজকের বৈঠকেও রোহিঙ্গা ইস্যু ওঠার কথা রয়েছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ান রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তাদের ভূমিকা ও সহযোগিতা  আরো দৃশ্যমান করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে গত বুধবার আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর যৌথ ইশতেহারে এ কথা বলা হয়েছে।

আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দলগত বৈঠক করেন। আজ শুক্রবার বাংলাদেশসহ আসিয়ানের ডায়ালগ পার্টনারদের নিয়ে আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের (এআরএফ) বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গতকাল ব্যাংকক গেছেন। আজকের বৈঠকেও রোহিঙ্গা ইস্যু ওঠার কথা রয়েছে।

এদিকে মিয়ানমার থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনো গত বুধবার নেপিডোতে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও মিয়ানমারকে তাগিদ দেন।

আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে ঘোষিত যৌথ ইশতেহারে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট দুটি অনুচ্ছেদ স্থান পেয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, রাখাইন রাজ্যে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিস্থিতি নিয়ে আসিয়ান দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিয়ানমারের বক্তব্য শুনেছেন এবং তাঁরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। মিয়ানমারকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় সহায়তা ও টেকসই উন্নয়ন উৎসাহিত করতে আসিয়ান দেশগুলো আরো বর্ধিত ও দৃশ্যমান ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

রাখাইন রাজ্যে সব সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং বাস্তুচ্যুতদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে যতটা সম্ভব কার্যকর সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারের অঙ্গীকারকেও তাঁরা সমর্থন জানিয়েছেন। এই অঙ্গীকারের ওপর তাঁরা জোর দিয়েছেন।

যৌথ ইশতেহারে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, মিয়ানমারের তদন্ত কাঠামো রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা