kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ঢালাইয়ের কাঠ খুলতে নেমেছিলেন তাঁরা

আক্কেলপুরে সেপটিক ট্যাংকে ৬ মৃত্যু

জয়পুরহাট ও আক্কেলপুর প্রতিনিধি   

১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর হিন্দুপাড়া গ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন জাফরপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের নিখিল চন্দ্র দাসের (বাড়ির মালিক) ছেলে প্রিতম চন্দ্র দাস (২০), তাঁর চাচা ভুট্টু চন্দ্র দাস (৪০), স্থানীয় গণিপুর গ্রামের সামছুল আকন্দের ছেলে (রাজমিস্ত্রি) শাহিন হোসেন (৩৫), একই গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে (শ্রমিক) সজল হোসেন (১৫) ও শাফি আলমের ছেলে (শ্রমিক) শিহাব হোসেন (১৮) এবং বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার খলিশ্বর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে মুকুল হোসেন (৩৫)। একই সঙ্গে এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়া হিন্দুপাড়া গ্রামের দীলিপ চন্দ্রকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে আক্কেলপুর থানার ওসি কিরণ কুমার রায় নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, প্রায় এক মাস আগে ঢালাই দেওয়া উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের ওই গ্রামের নিখিল চন্দ্রের বাড়িতে বুধবার সেপটিক ট্যাংকের ঠিকা দেওয়া কাঠ খুলতে আসেন শ্রমিকরা। প্রথমে একজন শ্রমিক ট্যাংকে নামার পর সাড়াশব্দ না পেয়ে হেডমিস্ত্রিসহ পর পর চারজনই সেপটিক ট্যাংকে নামলে বিষাক্ত গ্যাসে তাঁদের মৃত্যু হয়। ওদিকে ট্যাংকে নামা কারো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়িতে থাকা নিখিল চন্দ্রের ছেলে প্রিতম চন্দ্র ও তাঁর চাচা ভুট্টু চন্দ্র ট্যাংকে নামলে তাঁরাও মারা যান। এ সময় একই গ্রামের দীলিপ চন্দ্র তাঁদের উদ্ধারে গিয়ে অসুস্থ হলে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি মাঠে কাজ করছিলাম। এ সময় গ্রামের মেয়েদের চিৎকার শুনে নিখিল চন্দ্রের বাড়ি এসে দেখি ট্যাংকের ভেতরে কয়েকজন পড়ে রয়েছে।’ ওসি কিরণ কুমার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। তার পরও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা