kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

নিয়ন্ত্রক সংস্থার সভায় সিদ্ধান্ত

দুই ব্রোকারেজের সনদ বাতিল হচ্ছে!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের কারণে দুই ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এম সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের নিবন্ধন সনদ (লাইসেন্স) বাতিল হবে। বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন করতে পারবে না প্রতিষ্ঠান দুটি।

গতকাল মঙ্গলবার বিএসইসির নিয়মিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ ছাড়া কমিশনের সভায় বে-মেয়াদি দুটি মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদন দিয়েছে। আর সিডিবিএলের পাওনা পরিশোধ না করায় ছয় ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এনফোর্সমেন্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এম সিকিউরিটিজের গ্রাহকদের সমন্বিত হিসাবে ঘাটতি ছিল সাত কোটি ৪৩ লাখ ২৫ হাজার ৪৮ টাকা। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি কমিশন ঘাটতি সমন্বয়ের নির্দেশ দেয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জও বিষয়টি পরীক্ষা করে কমিশনে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, এম সিকিউরিটিজের সমন্বিত গ্রাহক হিসেবে এখনো ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার ৭৯২ টাকা ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে আইন লঙ্ঘনের কারণে তাদের সনদ বাতিল বা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগেও ২০১৭ সালে গ্রাহকদের সমন্বিত হিসাবে ঘাটতি থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ লাখ টাকা ও দুই পরিচালককে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে গত বছর জানুয়ারি মাসে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে ২০১৭ সালের ১৮ মার্চ ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের সিলেট শাখায় ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪০ টাকা। বিভিন্ন সময়ে সিএসইর প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এখনো প্রতিষ্ঠানটির পাওনার ২৯.১৫ শতাংশ অপরিশোধিত। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিএসইর বোর্ড সভায় পাওনা পরিশোধের জন্য চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ না করলে প্রতিষ্ঠানটির সনদ বাতিল বা স্থগিত করবে কমিশন।

এক তথ্যের বিও হিসাব বন্ধের সময় বাড়ল : একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন নম্বর ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

ইডিজিই এএমসি গ্রোথ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন: ‘ইডিজিই এএমসি গ্রোথ ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে কমিশন। বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ১০ কোটি টাকা। যার উদ্যোক্তা এএমসি লিমিটেড এক কোটি টাকা দেবে। বাকি ৯ কোটি ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ থাকবে। ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।

আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট শরিয়াহ্ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন : আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট শরিয়াহ্ ফান্ডের বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

সিডিবিএলের টাকা পরিশোধ করছে না ছয় প্রতিষ্ঠান : কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিনহা সিকিউরিটিজের কাছে সিডিবিএল তিন কোটি ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা পাবে। এ ছাড়া এম সিকিউরিটিজের কাছে ৪৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, লোটাস শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজের কাছে ২৯ লাখ টাকা, বানকো সিকিউরিটিজের কাছে ৪০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের কাছে ৩০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ও শাদ সিকিউরিটিজের থেকে ৬৩ লাখ ৯২ হাজার টাকা পাবে। কমিশন থেকে চিঠি দেওয়ার পরও অর্থ পরিশোধ করেনি তারা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা