kalerkantho

মানবাধিকার পরিষদে ভারত

একাত্তরে পাকিস্তানের অকল্পনীয় বর্বরতা ইতিহাস দেখেছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানবাধিকার ইস্যুতে পাকিস্তানের মায়াকান্নার জবাবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনগণের ওপর ভয়াবহতম বর্বরতা ও নৃশংসতার কথা বিশ্বকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে ভারত। গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে ভারতীয় স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব ভিমোরাস আরিয়ান বলেন, ‘মানবাধিকারের মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত ব্যাখ্যার মাধ্যমে পাকিস্তান ইচ্ছা করেই বিশ্বের সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে। ইতিহাস দেখেছে, পাকিস্তান কিভাবে ১৯৭১ সালে লাখ লাখ নিরপরাধ জনগণের ওপর বর্বরতম ও ভয়ংকর নৃশংসতা চালিয়েছে। মানবজাতি তা কখনো কল্পনাও করেনি।’

কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের প্রপাগান্ডার জবাব ভারত মানবাধিকার পরিষদে দিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা ও ভারতীয় কূটনীতিক ভিমোরাস আরিয়ানকে দিয়েই। জেনেভায় ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব ভিমোরাস আরিয়ান বলেন, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের নামে পাকিস্তান যা বলছে, তা আসলে আন্ত সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ এবং ভারতের বিরুদ্ধে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তা। পাকিস্তান কাশ্মীরের বাসিন্দাদের জন্য আলাদাভাবে আত্মনিয়ন্ত্রণের যে নীতির কথা বলছে, তা বহু ধর্ম ও বহু নৃগোষ্ঠীর বসবাস আছে এমন অনেক দেশকেই বড় বিপদের মুখে ঠেলে দেবে।

আন্ত সীমান্ত সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডে পাকিস্তানের সমর্থন দেওয়াকেই জম্মু ও কাশ্মীরের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেন ভারতীয় কূটনীতিক আরিয়ান। তিনি বলেন, পাকিস্তান সন্ত্রাসকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ব্যবহার করার ফলে জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দাদের সবচেয়ে বড় অধিকার—বাঁচার অধিকার অব্যাহতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুরো জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণ সবার জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে একটি স্পন্দনশীল গণতন্ত্র লালন করছে।

মন্তব্য