kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘অচেনা রোগে’ মা ও দুই সন্তান আক্রান্ত

নিপাহ কি না আজ পরীক্ষা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার অন্য একটি পরিবারের তিনজনের ‘অচেনা রোগে’ আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে পারেননি চিকিৎসকরা। তাঁরা বলছেন, রোগ শনাক্ত করতে ঢাকা থেকে আজ শুক্রবার চিকিৎসকরা আসবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে আক্রান্তরা। তাদের সাময়িক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আক্রান্তরা হলো বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বাদামবাড়ীর উজিরপুর গ্রামের নাসিরুলের স্ত্রী  দুলালী বেগম, তাঁর দুই শিশুসন্তান সিয়াম (৭) ও মিতু (৫)।

দুলালী বেগম জানান, বুধবার রাতে তাঁর শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি হাঁটাচলা করতে পারছিলেন না। গতকাল সকালে তাঁর ছোট মেয়ে মিতু বেশ কয়েকবার বমি করে এবং জ্বরে আক্রান্ত হয়। বড় ছেলে সিয়ামও জ্বর ও শরীরে ব্যথায় দুর্বল হয়ে পড়ে। তারা তিনজনই বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে পাঠান।

ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুব্রত কুমার সেন সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু কিছুদিন আগে বালিয়াডাঙ্গী এলাকায় নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল, তাই ঝুঁকি ও উন্নত চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে আক্রান্তদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলার সিভিল সার্জন ডা. আবু মো. খায়রুল কবির জানান, এই তিনজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত কি না তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে তেমন অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি নেই। তাই এ বিষয়ে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে আক্রান্তদের রংপুরে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। রোগটি শনাক্ত করার জন্য তাঁরা আজ শুক্রবার রংপুরে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা