kalerkantho

শনিবার । ১৮ জানুয়ারি ২০২০। ৪ মাঘ ১৪২৬। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপ

ভোট পড়েছে ৪৩ শতাংশ

পাঁচ বছর আগে ৬২% এবং ১০ বছর আগে ৬৮% ভোট পড়েছিল

বিশেষ প্রতিনিধি   

১২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবারের উপজেলা পরিষদের পঞ্চম সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফায় ৭৮ উপজেলায় গড়ে ভোট পড়েছে ৪৩.৩২ শতাংশ। ভোটের পরদিন গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে পাঁচ বছর আগে ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদের চতুর্থ সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফায় ৯৭টি উপজেলায় গড়ে ৬২.৩৭ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছিল। আর ১০ বছর আগে ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি এক দিনে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের তৃতীয় সাধারণ নির্বাচনে ৪৭৫টি উপজেলায় ভোট প্রদানের এ হার ছিল গড়ে ৬৮.৩২ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন, এবারে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলো এ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণে ভোট প্রদানের হার আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় কম। এ ছাড়া এবার চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলেও আওয়ামী লীগ ছাড়া দলীয় কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হননি। স্বতন্ত্র যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৫৭ জন এবং স্বতন্ত্র ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

গতকাল ইসি সচিব বলেন, গত রবিবার অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের নির্বাচনে ৪৩.৩২ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে। যেসব কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হয়েছে, সেগুলো কেন বন্ধ হয়েছে, তা তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, এটা নৈতিকতার বিষয়। অনেক সময় অনেকে নৈতিকতা হারিয়ে কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। তবে সেগুলো নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে কমিশন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রথম ধাপের নির্বাচন স্থগিত হওয়া উপজেলাগুলো সম্পর্কে তিনি  বলেন, এগুলো পঞ্চম ধাপে বা নতুন কোনো তারিখ নির্ধারণ করে ভোট গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা