kalerkantho

ভাসানী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

মুক্তিযোদ্ধার নাতির হাত ভেঙে ‘শিবির’ বানানোর চেষ্টা ছাত্রলীগের

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে র‌্যাগিংয়ের নামে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম শিকদার ও তাঁর সহযোগীরা। পরে তাঁকে ‘শিবির’ হিসেবে প্রচার চালানো হয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধার নাতির সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদে গতকাল রবিবার শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে দোষীদের আজীবন বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, তাঁদের বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিমকে র‌্যাগিংয়ের নামে শুক্রবার রাতে জননেতা আব্দুল মান্নান হলের তিনতলায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম শিকদার ও তাঁর সহযোগীরা। এ সময় তাঁরা ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে ফাহিমের ডান হাত ভেঙে দেন। পরে তাঁরা ফাহিমকে ‘শিবির’ বলে আখ্যা দেন। এ সময় তাঁরা শুভ ও রানা নামে আরো দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করেন।

শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফাহিম নরসিংদী সদরের করিমপুরের মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজর আলীর নাতি। একজন মুক্তিযোদ্ধার নাতিকে জোর করে শিবিরকর্মী বানানোর চেষ্টা এবং র‌্যাগিংয়ের নামে এভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাঁরা সায়েম ও তাঁর সহযোগীদের আজীবন বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে প্রক্টর ড. মো. সিরাজুল ইসলামের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত সায়েম শিকদার এ ব্যাপারে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’

মন্তব্য