kalerkantho

শনিবার । ১৮ জানুয়ারি ২০২০। ৪ মাঘ ১৪২৬। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সিইসি বললেন

ইভিএম হলে রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার সুযোগ থাকবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হলে ভোটের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার কোনো সুযোগ থাকবে না। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনে অনিয়ম করে, তাদের শিক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নেই। কারা সে জন্য দায়ী, তাদের কী করা যাবে সেই দীক্ষা-শিক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা যোগ্যতা আমাদের কমিশনের নেই এবং সেভাবে বলারও সুযোগ নেই যে কী কারণে হচ্ছে, কাদের কারণে হচ্ছে, কারা দায়ী।’

নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘সমাজের মধ্যে একটির পর একটি অনিয়ম অনুপ্রবেশ করে, আবার সেটি প্রতিহত করতে একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়। নির্বাচনের সংস্কৃতির পরিবর্তন আসবে আশা করি। আগামী দিনে ভোটে ইভিএম শুরু করে দেব, তাহলে সেখানে আর রাতে বাক্স ভর্তি করার সুযোগ থাকবে না।’

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রবণতা এবং তা ঠেকাতে নতুন নতুন পদ্ধতি প্রবর্তনের কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, ‘ভোট একসময় টালি পদ্ধতিতে হতো। সামনে প্রার্থীরা থাকতেন, ভোটাররা এসে কাকে ভোট দেবেন জানালে টালি করা হতো। একসময় গোপন ব্যালট এলো। আবার ১১ বছরের শিশুরাও ভোটার হলো, মৃত লোকও ভোটার হলো। এরপর ছবিসহ ভোটার তালিকা হলো। নানা রকম অসাধু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একজনের ভোট আরেকজন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ ধরনের জালিয়াতি প্রতিহত করতে আবার একটি আইন বা নিয়ম তৈরি হয়।’

ভোটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরে নুরুল হুদা বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় শেষ পর্যায়ের ব্যবস্থা এটা। সেনাবাহিনীকে অভ্যন্তরীণ ছোটখাটো বিষয়ে মোতায়েন করার কথা নয়। পরিবেশ পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকে যাচ্ছে। এ জন্য আইন-আচরণবিধি করতে হচ্ছে, কঠোর অবস্থায় যেতে হচ্ছে। তবুও সামাল দেওয়া যায় না।’

অনিয়ম সামাল দিতে ইসির দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন সিইসি। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘আপনারা দেখিয়ে দিন সঠিক নির্বাচন কাকে বলে। সবাই সচেতন হলে আশা করি একদিন আসবে যেখানে ভোটে পুলিশও লাগবে না।’

অনুষ্ঠানে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা