kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

রাবিতে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন সম্পন্ন

ভবিষ্যতের কূটনীতিক তৈরিতে ভূমিকা রাখবে এ আয়োজন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন। গতকাল রবিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনের চূড়ান্ত পর্ব সম্পন্ন হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে মতামত দেয়।

দেশ-বিদেশের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ ছায়া সম্মেলন মিলনমেলায় পরিণত হয়। অংশগ্রহণকারীদের ভবিষ্যতের কূটনীতিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং তাদেরকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ সম্মেলন ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল কালের কণ্ঠ।

‘সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার, মানবতার শক্তিতে উজ্জীবিত’ প্রতিপাদ্যে গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে চার দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। জাতিসংঘের আদলে কাজ করা রাজশাহী ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশন অ্যাসোসিয়েশন (আরইউমুনা) চতুর্থবারের মতো এ ছায়া সম্মেলনের আয়োজন করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় যেভাবে কাজ করার কথা ছিল, জাতিসংঘ সেভাবে কাজ করতে পারছে না। ফলে বিশ্বে উদ্ভূত সমস্যাগুলোর সমাধানও হচ্ছে না। বিশ্বের প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জাতিসংঘের গণতন্ত্রায়ণ প্রয়োজন। তিনি বলেন, সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীরা বিশ্বের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করছে। তারা এখন থেকেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার কথা ভাবছে। এটা অংশগ্রহণকারীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করবে।

এবারের ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে বাংলাদেশ, ভারত ও থাইল্যান্ডের ৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট, বাংলাদেশ বিষয়ক বিশেষায়িত কমিটি, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তর এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা—এসব কমিটিতে ভাগ করে দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরা শিশু-কিশোরের বিরুদ্ধে অপরাধ, ক্রিপ্টোকারেন্সি, জাতিসংঘে বাংলা, সমুদ্র দূষণ রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরে। অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার হিসেবে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আরইউমুনার উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহ আজম শান্তনু, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষক শেখ মো. ইমরান হোসেন প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন আরইউমুনার সভাপতি ইমরুল হাসান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা