kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দুই মামলায় ১০২ ইয়াবা কারবারি কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার ও টেকনাফ প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে আত্মসমর্পণকারী ১০২ জন ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক শরীফ ইবনে আলম মামলাগুলো করেন।

এজাহার সূত্রে মামলার বিষয়ে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে টেকনাফ থানার পুলিশের পরিদর্শক এ বি এম এস দোহার নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের মহেশখালীয়া পাড়ায় অবস্থান করছিল। এ সময় একটি হ্যাচারির পাশে কিছু লোক ইয়াবা ও অস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশ অভিযান শুরু করলে ইয়াবা কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ তাদের পালিয়ে না গিয়ে আত্মসমর্পণ করতে অনুরোধ জানালে তারা তিন লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা, ৩০টি অস্ত্র ও ৭০টি কার্তুজ নিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

মামলার বাদী শরীফ ইবনে আলম জানান, আত্মসমর্পণ করা ইয়াবা কারবারিদের আটক দেখিয়ে টেকনাফ থানায় অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ও (এফ) ধারায় একটি মামলা এবং ২০১৮ সালের সংশোধিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১০(গ) ধারায় ইয়াবা ট্যাবলেটের মামলাটি করা হয়। মামলা দুটিতে টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক এ বি এম এস দোহাকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, মামলার নথিসহ গত শনিবার বিকেলে কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ছুটিকালীন আদালতের বিচারক ও টেকনাফ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন হাজত পরোয়ানা মূলে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে আছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ভাই আবদুর শুক্কুর, আবদুল আমিন, মোহাম্মদ সফিক ও মোহাম্মদ ফয়সাল, ভাগ্নে সাহেদুর রহমান নিপু, ফুফাতো ভাই কামরুল হাসান রাশেল, চাচাতো ভাই মো. আলম, ভাগ্নে সাহেদ কামাল নিপু, শামসুল আলম শামীম, তালতো ভাই শাহেদ কামাল, ছৈয়দ হোসেন মেম্বার, জামাল হোসেন, মং অং থেন, টেকনাফ উপজেলার চেয়ারম্যান জাফর আলমের ছেলে দিদার মিয়া প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা