kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

নারীশিক্ষা নিয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন শাহ আহমদ শফী

হেফাজত আমিরের বক্তব্যের প্রতিবাদ বিভিন্ন সংগঠনের

নিজস্ব প্রতিবেদক ও হাটহাজারী প্রতিনিধি   

১৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারীশিক্ষা নিয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী। গতকাল শনিবার রাতে তাঁর কার্যালয় থেকে এ ব্যাখ্যা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

ব্যাখ্যায় আহমদ শফী বলেন, গত শুক্রবার রাতে মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে দেওয়া তাঁর বক্তব্যের একটি খণ্ডাংশ বিভিন্ন মিডিয়ায় ভুলভাবে উপস্থাপন করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তিনি মূলত বলতে চেয়েছেন ইসলামের মৌলিক বিধান পর্দার লঙ্ঘন হয়, এমন প্রতিষ্ঠানে নারীদের পড়াশোনা করানো উচিত হবে না।

আহমদ শফী বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে যে ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এখানে শিক্ষা থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনাসহ যাবতীয় সব কিছুই রয়েছে। ইসলামে নারীদের শিক্ষার বিষয় উৎসাহিত করা হয়েছে এবং সবাই অবগত যে উম্মুল মুমিনিন হজরত মা আয়েশা (রা.) ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস। তিনি শিক্ষা গ্রহণ না করলে উম্মত অনেক হাদিস থেকে মাহরাম হয়ে যেত।’

‘তবে এর পাশাপাশি ইসলামের একটি মৌলিক বিধান হচ্ছে পর্দা। নারীর পর্দার বিষয়ে ইসলামে সুস্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। আমি আমার বক্তব্যে বলতে চেয়েছি, শিক্ষা গ্রহণ করতে গিয়ে যেন পর্দার বিধান লঙ্ঘন করা না হয়। কারণ আমাদের দেশের বেশির ভাগ সাধারণ শিক্ষাকেন্দ্রে সহশিক্ষা দেওয়া হয়, অর্থাৎ ছেলে-মেয়ে একই সঙ্গে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। এতে পর্দার লঙ্ঘন হয়। মূলত এই সহশিক্ষা গ্রহণেই মানুষকে সতর্ক করতে চেয়েছি।

এদিকে নারীশিক্ষা নিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী যে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন, তার প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। সংগঠনগুলোর নেতারা বলেছেন, এ রকম বক্তব্যের জন্য সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে আর কেউ এ রকম নারী অবমাননাকর বক্তব্য দিতে না পারে। এ জন্য সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। গতকাল শনিবার এসব সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি পাঠানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা