kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ইজতেমা ময়দানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামলা-সংঘর্ষের তদন্ত শেষে দোষীদের বিচার করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর ও টঙ্গী প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, তাবলিগ জামাত নিয়ে নজিরবিহীন সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে বিবদমান দুই পক্ষের বৈঠকের মাধ্যমে এই সমস্যা নিরসন এবং পুনরায় বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল শনিবার বিকেলে টঙ্গীর তুরাগপারে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন ও সংঘর্ষে আহত আলেম-উলামাদের সঙ্গে আলাপ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তাবলিগ অনুসারীদের দুপক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এটা আমরা কখনোই আশা করিনি। ইজতেমা  ময়দানে সবাই আল্লাহকে রাজি-খুশি করার লক্ষ্যে ইবাদত করতে আসেন। এখানে এসে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়াটা মোটেই কাম্য নয়।’ এ ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইজতেমার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইজতেমা ময়দান পরিদর্শনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ন কবির, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান, ডিসি (জিএমপি) শরিফুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, টঙ্গী পশ্চিম থানার (ওসি) এমদাদুল হক, তাবলিগের মুরব্বি ডা. শাহবুদ্দিন, মাওলানা মাজাহার প্রমুখ।

যুবায়ের অনুসারীদের ছয় দফা দাবি

এদিকে ছয় দফা দাবিতে গাজীপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাবলিগ জামাতের যুবায়ের অনুসারীরা। গতকাল সকালে গাজীপুর মহানগরের ভুরুলিয়া এলাকায় তাবলিগ জামাতের গাজীপুর মারকাজে এই সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে ১ ডিসেম্বর হামলার ঘটনায় সাদ ও ওয়াসিফ অনুসারীদের দায়ী করে বিচারসহ ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

লিখিত বক্তব্যে মুফতি তাওহীদুল হক বলেন, তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে সর্বজনীন কিছু উসুলের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। সময়ের পরিক্রমায় ইজতেমার মুরব্বিগণ মারা যাওয়ার পর তাঁদের শূন্যস্থান পূরণ না করে মাওলানা সাদ নিজেকে আমির দাবি করে এককভাবে গুরুত্বপূর্ণ দাওয়াতি ও আমিল কাজের ফয়সালা দিতে থাকেন। এ ছাড়া তিনি কোরআন-হাদিসের নিজস্ব মতামত ও মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে উলামায়ে কেরামদের বিরাগভাজন হন। তিনি তাবলিগের মূল উসুল থেকে সরে গিয়ে নতুন নতুন উসুলের সমাবেশ ঘটান। বিশেষ করে আমভাবে মাসালা বয়ান করে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা