kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

১৪ দলের বৈঠক

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় গুরুত্বের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্বাচন এলেই সংখ্যালঘুরা আক্রমণের শিকার হয়। অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে বহুবার এমন চিত্র দেখা গেছে। আসন্ন নির্বাচনে তাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে এখন থেকেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। গতকাল দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ক্ষমতাসীন ১৪ দলের সঙ্গে এক মতবিনিময় বৈঠকে এমন অভিমত জানান বক্তারা। ১৪ দলের নেতারা ছাড়াও বৈঠকে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম। বক্তব্য দেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রানা দাশগুপ্ত, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান হেলাল মোর্শেদ খান প্রমুখ।

বৈঠকে উপস্থিত রানা দাশগুপ্ত কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা বরাবরই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ভোট দিয়েছি। আমরা চাই এমন মানুষগুলো সংসদে আসুক যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। আমরা আশা করব আওয়ামী লীগ এমন নেতাদের মনোনয়ন দেবে না যারা সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন করে, যারা সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে উসকে দেয়। নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেন হামলা না হয় সেই কৌশল ও কর্মসূচি নির্ধারণ করতে হবে।’

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘নির্বাচনের সময় জামায়াত-বিএনপি কী ধরনের সাম্প্রদায়িক আচরণ করে তা মানুষকে জানাতে হবে। অনেক এমপি আছেন যাঁরা বিএনপি-জামায়াতের সমর্থন নিয়েছেন। এঁদের বর্জন করতে হবে।’

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘যখনই দেশে নির্বাচন আসে, তখনই একটি অপশক্তি দেশের সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করে। অনেক সময় আঘাত করার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে ইসিকে বলব কার্যকর ব্যবস্থা নিতে।’

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়া যেহেতু শুরু হয়ে গেছে, এখন থেকে সংখ্যালঘু ভাই-বোনদের নিরাপত্তা দিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলা হয়েছে। নির্বাচনের সময়, নির্বাচনের পরে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো গাফিলতি সহ্য করা হবে না।’

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া, ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

মন্তব্য