kalerkantho

যা দেখে প্রতিষ্ঠানের নেতা খুঁজবেন

১২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যা দেখে প্রতিষ্ঠানের নেতা খুঁজবেন

প্রতিষ্ঠানে যোগ্য কর্মী নিয়োগে খুব একটা হ্যাপা হয় না। কিন্তু যখন সিইও বা নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিকে নিতে হয়, তখন হিসাব-নিকাশ অনেক কঠিন ও জটিল হয়ে পড়ে। কিছু গুণের নিরিখে প্রতিষ্ঠানের যোগ্য নেতা পাওয়া সম্ভব। এ নিয়েই আজকের টিপস

স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী

সম্ভাব্য নেতার দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে স্পষ্ট। প্রতিষ্ঠানকে সার্বিকভাবে এগিয়ে নিতে তাঁর কর্মকৌশল নিজের কাছে পরিষ্কার কি না তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে প্রতিষ্ঠানকে। তাঁর কল্পণাশক্তি অনুধাবন করা জরুরি। কেবল উচ্চাকাঙ্ক্ষী হলেই চলবে না। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদ্ধতিগুলোও বাস্তবিক হওয়া উচিত। অজানা-অচেনা পথে চলার ক্ষেত্রে তার প্রস্তুতিগুলো কতটুকু বৈষয়িক তা বোধগম্য না থাকলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে হবে।

সুযোগ্য প্রতিনিধিত্বকারী

নেতা কিন্তু সব কাজ নিজে করতে পারেন না। তাঁকে কর্মী বাহিনীর সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে গোটা কাজ সামলে আনতে হয়। তাই এমন এক নেতা দরকার যিনি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মেধাবী ও যোগ্য কর্মীদের একটি দল গড়ে তুলতে সক্ষম। সেই দলটি প্রতিনিধি হয়ে সব বিভাগকে দায়িত্ব পালনে সফল করে তুলবে।

সমস্যা মোকাবেলাকারী

কাজ করতে গেলে নানা সমস্যা সামনে আসবেই। আর এসব থেকে পলায়নপর মানসিকতা থাকলে তিনি নেতা হতে পারবেন না। কারণ যোগ্য নেতৃত্বের সবচেয়ে জরুরি গুণের একটি হলো যেকোনো দ্বন্দ্বপূর্ণ অবস্থা সামলে সমাধানের পথ বের করে আনা। নেতার দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা এবং মেধার স্ফুরণ তাঁকে এ বিষয়ে রীতিমতো বিশেষজ্ঞ করে তোলে। তিনি আসন্ন সমস্যা সম্পর্কে আগেভাগেই আঁচ করতে সক্ষম এবং তা সমাধানের পথও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।

নিরলস প্রচেষ্টাকারী

একজন নেতা পুরো দলের কাছে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি অনুপ্রেরণার মূল উৎস। তাঁর ব্যক্তিত্ব এবং আচরণ যেন উদাহরণ। লক্ষ্য অর্জনের পেছনে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা অন্যকর্মীদের উদ্দীপ্ত করে তোলে। এমন নেতাই পারেন প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের শিখরে নিতে। তাঁর কাছে অনেক উপায় থাকে। এগুলো দুর্ঘটনাক্রমে কাজে না লাগলেও প্রচেষ্টা কখনো থেকে থাকবে না। তিনি সৃষ্টিশীল এবং অভিনব উপায় সন্ধানে মুন্সিয়ানের পরিচয় রাখেন। এমন ব্যক্তিকেই দরকার প্রতিষ্ঠানের।

নেতৃত্ব সৃষ্টির ওস্তাদ

এটা সুযোগ্য নেতার বড় এক গুণ। তিনি কেবল উচ্চপদস্থ কর্তাব্যক্তিই নন, নিজের দলের অভিভাবক। ভবিষ্যতের নেতা সৃষ্টিতে মন দেন তিনি। এটা আসলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাঁর দায়িত্বশীলতার আরেক নমুনা। এমন বৈশিষ্ট্যই নেতার প্রতি কর্মীদের শ্রদ্ধাবোধকে জাগ্রত রাখে। তাই এমন মানুষকে নেতৃত্বে রাখতে হয় যিনি পরবর্তী নেতাকে প্রস্তুত করে দিয়ে যান।

টাইমস জবস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

মন্তব্য