kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ জুলাই ২০১৯। ৮ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৯ জিলকদ ১৪৪০

মধুপুরে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

টাকা-জমি দিয়ে রফার চেষ্টা, অবশেষে মামলা

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার তিনজনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলার পর তিন ধর্ষক এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। এর আগে সালিস বৈঠকে মাতব্বররা পাঁচ লাখ টাকা এবং ৩০ শতাংশ জমির বিনিময়ে ঘটনাটি আপস-রফার চেষ্টা চালান।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে মধুপুরের মহিষমারা (মণ্ডলপাড়া) গ্রামের মো. হযরত আলীর ছেলে আরিফ হোসেন, আয়েন উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন ও মৃত আবদুর রশিদের ছেলে শফিকুল ইসলাম মিলে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা মামলা করার উদ্যোগ নিলে স্থানীয় মহিষমারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মুসলিম উদ্দিন ও স্থানীয় মাতব্বররা ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা চালান। ওই ছাত্রীর বাবা জানান, এ ঘটনায় গত রবিবার ওয়ার্ড মেম্বার মুসলিম উদ্দিনের বাড়িতে সালিস বৈঠক বসে। সালিস বৈঠকে মাতব্বররা ধর্ষণের জরিমানা হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা এবং ৩০ শতাংশ জমির বিনিময়ে আপস-রফার সিদ্ধান্ত দেন। এতে উভয় পক্ষ রাজি না হওয়ায় সালিস বৈঠক ভেস্তে যায়। পরে গতকাল মঙ্গলবার ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মধুপুর থানায় তিনজনের নামে ধর্ষণ মামলা করেন।

মধুপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গণধর্ষণের মামলাটি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

মঠবাড়িয়ায় ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে কলেজছাত্র গ্রেপ্তার

এদিকে পিরোজপুর থেকে আমাদের আঞ্চলিক প্রতিনিধি জানান, মঠবাড়িয়ায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে তনু মিত্র (২১) নামের এক কলেজছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নির্যাতিত মেয়েটি থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ গত সোমবার রাতে অভিযুক্ত কলেজছাত্রকে গ্রেপ্তার করে। কলেজ ছাত্র তনু মিত্র উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ছোট হারজী গ্রামের পরিতোষ মিত্রের ছেলে। সে পিরোজপুর সোহরাওয়ার্দী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র। এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ মাজহারুল আমীন জানান, মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য