kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বিজিবি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তে হত্যা কমে এসেছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্তে হত্যা কমে এসেছে। এ জন্য তিনি বিজিবিকে ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে বিজিবি একদিন বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মর্যাদা লাভ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল মঙ্গলবার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে বিজিবি দিবস উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা আমাদের কাছে অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। তবে সম্প্রতি আপনাদের প্রচেষ্টায় বিএসএফের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের ফলে সীমান্তে নিহত হওয়ার ঘটনা কমে এসেছে। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমান্ত রক্ষা, অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক কিংবা সামাজিক যেকোনো দুর্যোগে বিজিবি জাতির আস্থার ঠিকানা। এ জন্য বিজিবি মহাপরিচালকসহ আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের জানমাল রক্ষায় আপনারা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা, মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা, রামুর বৌদ্ধপল্লীর নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন, পার্বত্য এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, ছিটমহলবাসীকে পুনর্বাসনে আপনাদের পদক্ষেপ বিজিবির সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ড এ বাহিনীর ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়। সে সময় সরকার গঠনের পরপরই বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ন্যক্কারজনক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়। আপনাদের সহযোগিতায় সেই সংকটময় পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছিল। ’

বিশেষ দরবারে আরো বক্তব্য দেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন। সূত্র : বাসস ও ইউএনবি।



সাতদিনের সেরা