kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

চলে গেলেন শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী বালমুরালি কৃষ্ণ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলে গেলেন শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী বালমুরালি কৃষ্ণ

গত বছর এই নভেম্বরেই বাংলাদেশে এসেছিলেন, আর্মি স্টেডিয়ামে সুরের জাদুতে মাতিয়েছিলেন দর্শক-শ্রোতাদের, আর এই নভেম্বরে চলে গেলেন অন্য ভুবনে। ভারতের কর্ণাটকি শাস্ত্রীয় সংগীতের সেই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী পণ্ডিত ড. বালমুরালি কৃষ্ণ গতকাল মঙ্গলবার চেন্নাইয়ের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

মাত্র আট বছর বয়সে তিনি প্রথম মঞ্চে ওঠেন। এরপর দেশ-বিদেশে বহু সংগীতপ্রতিভার সঙ্গে যুগলবন্দি গেয়েছেন। বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৫ হাজার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন ভারতীয় ধ্রুপদী সংগীতের এই উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর মৃত্যুতে সংগীতজগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বালমুরালি কৃষ্ণের জন্ম ১৯৩০ সালের ৬ জুলাই অন্ধ্র প্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলার শংকর গুপ্ত গ্রামে। তাঁর পুরো নাম মঙ্গলমপল্লি বালমুরালি কৃষ্ণ। তবে ছোটবেলায় নাম ছিল মুরালি। তাঁর বাবা ছিলেন নামকরা সংগীতশিল্পী, যিনি বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানোয় সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তাঁর মা ছিলেন বিখ্যাত বীণাবাদক। শৈশবে মা মারা যাওয়ায় বাবার কাছেই মানুষ হয়েছেন তিনি। ছোটবেলায় সংগীতের প্রতি আগ্রহ লক্ষ করে তাঁকে সংগীতগুরু পারুপল্লি রামকৃষ্ণা পান্তুলুর কাছে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন তাঁর বাবা। সেখানেই তিনি কর্ণাটকি উচ্চাঙ্গসংগীতের তালিম নিয়েছেন। তাঁর সংগীত পরিবেশনে মুগ্ধ হন বিখ্যাত হরিকথা শিল্পী মুসুনুরি সূর্যনারায়ণ মূর্তি ভাগবতার। শিশুশিল্পীর নামের আগে ‘বাল’ উপাধিটি তিনিই প্রদান করেন। এরপর থেকেই সেই নামেই পরিচিত হন তিনি। সূত্র : দ্য হিন্দু, এই সময়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা