kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

মার্ক্সবাদী দার্শনিক ও লেখক দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম কলকাতায় ১৯১৮ সালের ১৯ নভেম্বর। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর সেখানেই শিক্ষকতা করেন প্রায় দুই দশক। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস, বিজ্ঞান ও প্রাচীন ভারতের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ইতিহাস-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে তাঁর গবেষণা উল্লেখযোগ্য। তিনি তাঁর গবেষণাকে সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য করে তুলে ধরেছেন ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ক তাঁর মৌলিক গ্রন্থগুলোতে। আদিম যুগ থেকে আধুনিক সময় পর্যন্ত পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামোয় নারী ও পুরুষের প্রাধান্য কিভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে ধারাকে সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় তুলে ধরেছেন তিনি তাঁর বিখ্যাত বই ‘সে-যুগে মায়েরা বড়ো’ বইটিতে। তিনি প্রাচীন ভারতের দর্শনের বস্তুবাদকে উদ্ঘাটন করেছেন। তাঁর সবচেয়ে বড় কাজ লোকায়তের প্রাচীন দর্শনকে বিরুদ্ধপক্ষের বিকৃতি থেকে তিনি রক্ষা করেন এবং তা সংগ্রহ ও প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া তিনি প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞানের ইতিহাস ও বিজ্ঞানের পদ্ধতি সম্পর্কেও গবেষণা করেছেন। বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিনিষ্ঠ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাঁর ‘আবিষ্কারের অভিযান’, ‘বিজ্ঞান কি ও কেন’, ‘যে গল্পের শেষ নেই’, ‘জানবার কথা’ (১-১০), ‘পৃথিবীর ইতিহাস’ গ্রন্থগুলো বেশ জনপ্রিয়। তিনি গল্পের ছলে বিজ্ঞানের চমকপ্রদ সব বিষয় তরুণদের সামনে তুলে ধরেছেন। নবীনদের বিজ্ঞানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর রয়েছে একাধিক মূল্যবান গ্রন্থ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর আবেদন কমে আসার কথা থাকলেও মোটেও তা কমেনি। ৮ মে ১৯৯৩ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা