kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

ব্যক্তিত্ব

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

জন মিলটন

কবি জন মিলটনের জন্ম ১৬০৮ সালের ৯ ডিসেম্বর লন্ডনের ব্রিড স্ট্রিটে। তাঁর বাবা সিনিয়র জন মিলটন ও মা সারাহ জেফরি। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন গম্ভীর প্রকৃতির ও চিন্তাশীল। প্রথমে তাঁকে সেন্ট পল স্কুলে ভর্তি করা হয়। পরে কেমব্রিজের ক্রাইস্ট কলেজে ভর্তি হন এবং ১৬২৯ সালে কেমব্র্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক লাভ করেন। ১৬৩২ সালে স্নাতকোত্তর লাভের পর তাঁকে কেমব্র্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কর্মভার গ্রহণের অনুরোধ জানানো হলে তিনি তা গ্রহণ না করে হর্টনে বাবার কাছে চলে যান। উদ্দেশ্য চার্চের পাদ্রি হওয়া। এ সময় তিনি অনেক কবিতা রচনা করেন। তাঁর মনে আকাঙ্ক্ষা ছিল রোম পরিভ্রমণের। ১৬৩৭ সালে মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর সাংসারিক বন্ধন শিথিল হয়ে আসে। বাবার অনুমতি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন দেশভ্রমণে। বহু খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্যিকের সংস্পর্শে তিনি নিত্যনতুন জ্ঞানসুধা পান করতে থাকেন। রোমে প্রবাসজীবনের বেশির ভাগ সময় কাটে ভ্যাটিকান লাইব্রেরিতে বসে। রোমের অতীত সভ্যতা নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে ক্লাসিক সাহিত্যের প্রেমে পড়ে যান তিনি। ১৬৪৯ সালে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি লাতিন সেক্রেটারি হিসেবে নিযুক্ত হন। এ সময় তাঁর জীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে। তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ১৬৬০ সালে তিনি চাকরিচ্যুত হন। তাঁর সব রচনা আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। লন্ডনের অদূরে গ্রামের ছোট্ট কুটিরে পরিবার নিয়ে আশ্রয় নেন। এ সময় তিনি রচনা করেন দুটি মহাকাব্য ‘প্যারাডাইস লস্ট’ ও ‘প্যারাডাইস রিগেইন্ড’। তিনি মুখে বলে যেতেন আর তা লিপিবদ্ধ করতেন তাঁর কন্যা। ১৬৭৪ সালের ৮ নভেম্বর তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা