kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বনায়নে গুরুত্ব দিন

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধুলা ধূসরিত মহানগরী ঢাকা পৃথিবীর প্রধান দূষিত শহর বিবেচিত হওয়ায় ঢাকাসহ সারা দেশকে দূষণমুক্ত করতে দূষণকারী উপাদান নির্মূলের পাশাপাশি দেশকে সবুজায়নের তাগিদ অনুভূত হচ্ছে। কিন্তু যে দূষণপ্রক্রিয়া চলে এসেছে তা হঠাৎ করে আমূল বদলে ফেলা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অবশ্যই এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। বিশাল জনগোষ্ঠীর মাথা গোঁজার ঠাঁই, কর্মসংস্থানের প্রয়োজনে দ্রুত নগরায়ণ প্রক্রিয়ায় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আবাসনের লক্ষ্যে গড়ে উঠছে নিত্যনতুন ভবন, নগরকাঠামো। উন্নয়নের জোয়ারে গড়ে উঠছে অসংখ্য কলকারখানা। কমে যাচ্ছে কৃষিযোগ্য জমি, শ্যামল গাছপালা। উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে উজাড় হচ্ছে বনভূমি। সংরক্ষিত বন বিনষ্টের জন্য পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অর্থের বিচারে নিরূপণ করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানার গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। অনিয়ন্ত্রিত ইটভাটায় প্রতিদিন পোড়ানো হচ্ছে বিপুল পরিমাণ কাঠ। বনভূমি বিনষ্টের পাশাপাশি ইটভাটার কালো ধোঁয়া পরিবেশকে ভারসাম্যহীনতার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। বৃক্ষ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য। তাই দেশের অরক্ষিত বিশাল চরাঞ্চলসহ উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক বনাঞ্চল সৃষ্টি করে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন এবং রোপিত গাছপালার নিয়মিত পরিচর্যা দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। বন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে নিতে হবে আইনানুগ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। দেশকে সবুজায়নের লক্ষ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ, মালিবাগ, ঢাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা