• ই-পেপার

তিস্তার পানি কমলেও বাড়ছে ভাঙন, দুধকুমারে পানি বিপৎসীমার ওপরে

আজকের খেলা

আজকের খেলা

মেক্সিকো-ইকুয়েডর (সকাল ৭টা)

ইংল্যান্ড-ডিআর কঙ্গো (রাত ১০টা)

বেলজিয়াম-সেনেগাল (রাত ২টা)

যুক্তরাষ্ট্র-বসনিয়া (কাল সকাল ৬টা)

তিন তারায় লাল উৎসব

বোরহান জাবেদ
তিন তারায় লাল উৎসব

ম্যাচজুড়ে ইসমাইল সাইবারিকে খুব কমই খুঁজে পাওয়া গেছে। তবে এবারের বিশ্বকাপে তিনিই মরক্কোর প্রাণভোমরা। সাইবারিকে তাই জেগে উঠতেই হতো। তা তিনি উঠলেনও। গোল মিসের মহড়ায় পরিণত হওয়া টাইব্রেকারে তাঁর গোলেই যে মন্তেরেই স্টেডিয়ামের গ্যালারি লাল সমুদ্রে রূপ নেয়। তবে এই উৎসবের আগে মরক্কো সমর্থকদের শুকিয়ে যাওয়া গলায় একটু পানি দিয়েছিলেন ইসা দিয়ুপ।

ম্যাচে দারুণ খেলতে থাকা মরক্কো কোনোভাবে গোলের দেখা পাচ্ছিল না। উল্টো খেলার ধারার বিপরীতে ক্রাইসেনসিও সামারভিলের পাস থেকে নেদারল্যান্ডসকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কোডি গাকপো। ম্যাচের তখন ৭২ মিনিট। তবে দলকে এগিয়ে দেওয়া গোলের পর কমলার উচ্ছ্বাসের মাঝে আবেগের রোশনাইয়ে ঢেকে যায় গাকপোর মুখাবয়ব। মাঠে নামার ৪৮ ঘণ্টা আগে অনাগত সন্তানের মৃত্যু তাঁকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। গোল করার পর টলমল চোখে আকাশের পানে তাকিয়ে হয়তো অনাগত সন্তানকেই গোলটি উৎসর্গ করেন। ওই মুহূর্তে গাকপোর জন্য হলেও ডাচদের জয়ই কি সবার প্রার্থনায় ছিল?

কিন্তু নক আউটের গল্পগুলো যে কারো কারো জন্য বড্ড বিষাদের। এদিন গাকপোকে সেই বিষাদের অভয়ারণ্যে বিলীন করে আনন্দটুকু নিজের করে নেন দিয়ুপ। অথচ তিন মাস আগেও তিনি মরক্কোর ফুটবলার ছিলেন না। মা মরক্কোর। কিন্তু বাবা সেনেগালিজ। দিয়ুপের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ফ্রান্সের তুলুজে। সেখানকার ফুটবল ক্লাবের একাডেমিতেই তাঁর হাতেখড়ি। সেই ক্লাবের জার্সিতেই ২০১৫ সালে দিয়ুপের পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয়। এরপর ২০১৮ সালে যোগ দেন ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডে। সেখান থেকে এখন তিনি খেলছেন ফুলহ্যামের হয়ে।

দিয়ুপের ফুটবল ক্যারিয়ারের পুরোটাজুড়েই ছিল ফ্রান্স। সব ধরনের বয়সভিত্তিক পর্যায়ও পার হয়ে আসেন প্রতিভা আর পরিশ্রমের ছাপ রেখে। দিয়ুপের সামনে তিনটি পথ খোলা ছিল—জন্মভূমি ফ্রান্স, বাবার দেশ সেনেগাল কিংবা মায়ের দেশ মরক্কোর হয়ে খেলা। ২০১৮ সালে তিনি বেছে নিয়েছিলেন ফ্রান্সকেই। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর বাস্তব হয়নি। বছরের পর বছর অপেক্ষার পর অবশেষে একদিন সিদ্ধান্ত বদলান। বেছে নেন মায়ের দেশ মরক্কোকে। চলতি বছরের ২৬ মার্চ দেশটির হয়ে খেলার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পান। বিশ্বকাপের আগে ওই সময়ে ম্যাচই খেলার সুযোগ পান মাত্র দুটি। তবে তাঁর মাঝে বারুদ দেখেছিলেন মরক্কো কোচ মোহামেদ ওয়াহবি। তাঁর চাওয়াতেই বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়ে যান দিয়ুপ।

কোচের আস্থার প্রতিদান দিতেও বেশি সময় নেননি দিয়ুপ। মূল দায়িত্ব রক্ষণ সামলানো হলেও রাউন্ড অব ৩২-এ তিনি দলের ত্রাণকর্তা হলেন গোল করে। সেটাও ম্যাচের অন্তিমে যোগ করা সময়ে। ওই মুহূর্তে মন্তেরেই স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ডাচ সমর্থকদের কোরাস যেন দলটির শেষ ষোলোর প্রস্তুতির কথাই বলছিল! তখনই শেমস-এ দিন তালিবের চমৎকার ক্রস থেকে বুলেট গতির হেডে ডাচদের জালে বল পাঠান দিয়ুপ। নাটকীয়ভাবে সমতায় ফেরে মরক্কো। জেগে ওঠা এই মরক্কোকেই টাইব্রেকারে জিতিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট কাটাতে একজন যেন অপেক্ষায় ছিলেন। তিনি আর কেউ নন, মরক্কোর গত বিশ্বকাপ সাফল্যের কারিগর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। ডাচদের মিস করা তিনটি শটের একটি ঠেকান তিনি। বাকি দুটি বাইরে মারেন জাস্টিন ক্লাইভার্ট ও জুরিয়েন টিম্বার। বুনু যে মঞ্চটা সাজিয়ে দিয়েছিলেন সেখানে শেষ মালাটা গাঁথেন সাইবারি। তাঁর মারা শট পোস্টে যেতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে মরক্কো। টাইব্রেকারে ৩-২ গোলের জয়ে স্বপ্নের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। সেই এগিয়ে যাওয়ার পথে মরক্কানদের শুকিয়ে যাওয়া গলায় দিয়ুপ যদি একটু পানি দিয়ে থাকেন, তাহলে তাদের তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে দিয়েছেন বুনু ও সাইবারি। এদিন তাঁরাই যে মরক্কোর তিন তারা।

তথ্য উপদেষ্টা

কোনো নামেই কর্মসূচি চালাতে পারবে না আওয়ামী লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কোনো নামেই কর্মসূচি চালাতে পারবে না আওয়ামী লীগ
জাহেদ উর রহমান

রিফাইন্ড হোক বা অন্য কোনো নামে নতুন আওয়ামী লীগ, তৃণমূল আওয়ামী লীগ—যা-ই বলি না কেন, কোনো নামেই মানে আওয়ামী লীগ নামে সে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা সম্পূর্ণ নিষেধ এবং এসংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনা দেশের গণমাধ্যমগুলোকে কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে বলেও জানান তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতাদের নিয়ে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হবে কি না—বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন,‌ ‘সফট বা হার্ড আওয়ামী লীগ না। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে বিএনপিও তো নেই, আছে কি? স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কি বিএনপি আছে? জামায়াত, এনসিপি আছে? নেই। একসময় ছিল, মানে যে আইনটা মাঝখানে পরিবর্তিত হয়েছিল আওয়ামী লীগের সময়, সেখানে একটা নির্বাচনে দল ছিল, সেটা হচ্ছে চেয়ারম্যান বা মেয়র। তখনো কিন্তু মেম্বার এবং কমিশনার নির্বাচনে কোনো দল পার্টিসিপেট করত না। এখন এটা তুলে দেওয়া হয়েছে, মানে আমরা আগের জায়গায় চলে গেছি।’ 

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ রয়েছে। যত দিন আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিচ্ছেন, তত দিন আওয়ামী লীগ ‘রিফর্মড’ বা অন্য যেকোনো নামেই আসুক না কেন, তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। তিনি আরো বলেন, ‘আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু গণমাধ্যমে তাঁর  (শেখ হাসিনা) বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, যা একেবারেই অনুচিত। তাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু গণমাধ্যম সম্প্রতি তাঁর বক্তব্য প্রচার করছে, এর মানে তারা আদালতের নির্দেশনা মানছে না। তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে তাদের এ কাজ থেকে বিরত থাকার আহবান জানাই। আমরা এখনই খুব কঠোর কোনো অবস্থানে যাচ্ছি না, তবে গণমাধ্যমগুলোকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সরকারের নীতি প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সব সময় গণমাধ্যমকে তার বন্ধু মনে করে। গণমাধ্যমের সমালোচনা ও জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই সরকার যেকোনো সিদ্ধান্ত পরিমার্জন বা পরিবর্তন করে থাকে। সাম্প্রতিক বাজেট ও ব্যাংকিং খাতের কিছু বিষয়ে সমালোচনার পর সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সরকার সব সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দুর্নীতি তদন্তের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, দুর্নীতি একটি ফৌজদারি অপরাধ, এর কোনো তামাদি নেই। বহু বছর পরও চাইলে তদন্ত করা যায়। দুদক একটি স্বাধীন কমিশন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি তুলেছেন, তবে আমার মতে স্বাধীন কমিশন হিসেবে দুদকের উচিত অভিযোগগুলো তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় তদন্ত করা।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তখনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। দুদক কিছু পদক্ষেপ নেওয়ারও চেষ্টা করেছিল। তাই এই দায়িত্ব দুদকের। শুধু অন্তর্বর্তী সরকার নয়, আওয়ামী লীগের সময়কার অভিযোগ, আমাদের সরকারের সময়কার অভিযোগ, সব ক্ষেত্রেই দুদক স্বাধীনভাবে তদন্ত করবে। সরকার এটাকে বাধা দেবে, সে প্রশ্নই আসে না; বরং সরকার এটাকে উৎসাহিত করবে। এই সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

সংসদে এলজিআরডি মন্ত্রী

আর্সেনিক ঝুঁকিতে দেশের ১১% মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আর্সেনিক ঝুঁকিতে দেশের ১১% মানুষ
মির্জা ফখরুল

দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ এখনো আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জলাবদ্ধতাপ্রবণ ১০৮টি হটস্পট চিহ্নিত করে কাজ করছে। ১০টি অঞ্চলে ২১টি কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিএনসিসি ১১০.৯৩ কিলোমিটার সড়ক ও ১০৫.৮৯ কিলোমিটার নর্দমা নির্মাণ ও উন্নয়ন করেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আরো ১১৫ কিলোমিটার সড়ক ও ১২০ কিলোমিটার নর্দমা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে ৩৬০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করছেন। ২৯টি খাল ও একটি রেগুলেটিং পন্ডের সীমানা নির্ধারণ করে এক হাজার ১৮১টি সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়েছে। ডিএসসিসি এলাকায় বর্তমানে তিনটি আউটলেট দিয়ে ১০৯.২৪ বর্গকিলোমিটার এলাকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। আরো দুটি আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মেট্রো ঢাকা রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের আওতায় গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত একটি বড় আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। শ্যামপুর খালে বক্স কালভার্ট ও বৃহৎ নর্দমা নির্মাণ এবং ৩৩টি জলাবদ্ধতাপ্রবণ স্থানে খাল ও নর্দমা পরিষ্কারের কাজ চলছে। জরুরি ভিত্তিতে ছয়টি পোর্টেবল পাম্পও স্থাপন করা হয়েছে।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের যৌথ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী দেশের ১১ শতাংশ মানুষ এখনো আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গভীর নলকূপ, পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুকুর খনন ও পুনঃখনন এবং সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার। এসব উদ্যোগের ফলে ২০২৬ সালের মধ্যে আর্সেনিক ঝুঁকিতে থাকা মানুষের হার ১১ শতাংশ থেকে ৫-৬ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।