kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

চোরাপথে ওপার বাংলায় যাচ্ছে পদ্মার ইলিশ

হোয়াটসঅ্যাপে দরদাম

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




চোরাপথে ওপার বাংলায় যাচ্ছে পদ্মার ইলিশ

২০১২ সাল থেকেই কাগজে-কলমে ভারতে ইলিশ রপ্তানি নিষিদ্ধ। তাই পদ্মার ইলিশ ওপার বাংলায় এখন ‘ডুমুরের ফুল’। বছরের এই সময়টায় বাজারে সস্তা ইলিশ কখন মিলবে, সে জন্য দিন গোনে ভোজনরসিক পশ্চিম বাংলার বাঙালিরা। এ ধরনের প্রেক্ষাপটে চোরাকারবারিদের কাছে পাচারের অন্যতম পণ্য হয়ে উঠেছে পদ্মার ইলিশ।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর বলছে, পেট্রাপোল সীমান্ত লাগোয়া তেরঘরিয়া, পিরোজপুর এবং গাইঘাটার সুটিয়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ ঢুকছে বনগাঁ বাজারে। হাত বদলে সেই ইলিশের দাম হাঁকা হচ্ছে আকারভেদে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ রুপি। তবে চোরাপথে আসা ইলিশ খোলাবাজারে কেনাবেচা করার ঝুঁকি নিতে চান না ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে যাওয়া ইলিশ গোপনে মজুদ করেন দালালরা। এরপর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ইলিশের ছবি দেখিয়ে ওজন ও দাম ঠিক করার পর যোগাযোগ করা হলে সেই ইলিশ হাতবদল হয়। এমনকি বেশি টাকা দিলে ইলিশ হোম ডেলিভারিও দেওয়া হচ্ছে বনগাঁ সীমান্ত শহর এলাকায়। তবে সবই হয় গোপনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত কাঁটাতারহীন এলাকা দিয়েই বাংলাদেশ থেকে প্যাকেটভর্তি ইলিশ ঢোকে ভারতে। সেই ইলিশ মজুদ করেন দালালরা। এদিকে ইলিশপাচার ঠেকাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকলেও চোরাপথে চলে যায় বাংলাদেশের ইলিশ।

বনগাঁর এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মাছের গায়ে তো আর লেখা থাকে না পদ্মার ইলিশ, একমাত্র খেলেই বোঝা যায় কোনটা পদ্মার ইলিশ। তবে স্বাদে-গন্ধে অপূর্ব বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ।

ভারতের বনগাঁ শহরের এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, পদ্মার ইলিশের জন্য কাস্টমারদের চাহিদা পেলেই দালালদের সহায়তায় বাংলাদেশ থেকে ইলিশ চলে আসে।

 

 



সাতদিনের সেরা