kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

ফারুকের টিকা বিতর্ক

প্রাথমিক তদন্তে একটি টিকারই প্রমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রাথমিক তদন্তে একটি টিকারই প্রমাণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শেখ ফজিলাতুন নেছা কনভেনশন সেন্টারে ওমর ফারুক নামের যে ব্যক্তি একই সময়ে করোনাভাইরাসের তিন ডোজ টিকা নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন, তাঁর ব্যাপারে তিনটি বিষয় সামনে রেখে তদন্তকাজ শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির গঠিত তদন্ত কমিটি। আগামীকাল শনিবার কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। গতকাল বৃহস্পতিবার কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শরিফুদ্দিন আহমেদ।

উপাচার্য বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে আমরা এখন পর্যন্ত ওই ব্যক্তির তিন ডোজ টিকা নেওয়ার প্রমাণ পাইনি। তবু বিষয়টি নিয়ে যেহেতু মিডিয়ায় আলোচনা হচ্ছে, তাই আমরা তিনটি বিষয় সামনে রেখে অধিকতর তদন্তের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা দেখব ওই ব্যক্তি

মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত কি না। দ্বিতীয়ত, তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে এমন অভিযোগ তুলেছেন কি না। তৃতীয়ত, তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয় কি না। শেষ বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্যই তাঁকে আমাদের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি রেখেছি।’

উপাচার্য বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা তাঁকে হাসপাতালে আনার পর তিনি যেখানে টিকা নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন, হাতের সে স্থানগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি একটি টিকাই নেওয়ার চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত তাঁর শারীরিক কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। পাশাপাশি যে ডেস্কগুলোতে তিনি টিকা নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন, সেগুলোর মধ্যে একটি ছাড়া অন্যরা টিকা দেওয়ার ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেননি।’

ওই ব্যক্তি যে কক্ষে টিকা নিয়েছেন, সেখানকার সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে উপাচার্য জানান, কক্ষটি নতুনভাবে সাজানো হয়েছিল। ফলে কক্ষের মধ্যে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়নি। সে কারণে ফুটেজ পরীক্ষা করার উপায় নেই।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ওমর ফারুক বিএসএমএমইউ কনভেনশন সেন্টারে টিকাদানকেন্দ্রে তিন-তিনবার টিকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন। এ ঘটনায় বেশ আলোচনা শুরু হয়।

বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওমর ফারুকের বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করে। এদিকে তাঁর সম্পর্কে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ওসি মওদূত হাওলাদার বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কেউ কিছু জানায়নি।  লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’