kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

আলোচিত সেই মামলা পিবিআইয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৩০ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আলোচিত সেই মামলা পিবিআইয়ে

চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত ব্যাংকার মোর্শেদ চৌধুরী আত্মহনন মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে মামলাটি তদন্তভার গ্রহণ করবে পিবিআই। পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা খবরটি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বাদীপক্ষও মামলাটির তদন্তভার পিবিআইকে দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছিল।

গত ৭ এপ্রিল পাঁচলাইশ থানার হিলভিউ আবাসিক এলাকার নাহারভিলার একটি ফ্ল্যাটে আত্মহত্যা করেন ব্যাংকার মোর্শেদ চৌধুরী। এই ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ইশরাত জাহান বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় মোর্শেদের ফুফাতো ভাই জাবেদ ইকবাল চৌধুরী, পারভেজ ইকবাল চৌধুরীসহ চারজনকে আসামি করা হয়। তবে ঘটনার নেপথ্যে হুইপপুত্র শারুন চৌধুরী জড়িত মর্মে গণমাধ্যমে তথ্য প্রকাশিত হয়।

ইশরাত জাহান দাবি করেন, মোর্শেদের সঙ্গে আসামিদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এই লেনদেনসংক্রান্ত বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করেন রাজনীতিবিদরাও। এর সঙ্গে শারুনও ছিলেন। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মোর্শেদ আত্মহননের পথ বেছে নেন। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে বাদী ঢাকায় গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

মামলার পর শুরুতে মামলাটি পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে এটি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে তদন্তের জন্য স্থানান্তরিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা মো. আরাফাত নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেন। কিন্তু এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেননি। আরাফাতের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন হতো বলে জানিয়েছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মইনুর রহমান।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোর্শেদ চৌধুরীর সঙ্গে আসামিদের ব্যাবসায়িক লেনদেন ছিল। তিনি সুদ-আসলে ৩৫ কোটি টাকা শোধ

করেছিলেন। কিন্তু আরো পাওনা থাকার কথা বলে তা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল মোর্শেদকে।

ইসরাত জাহানের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের দিকে মোর্শেদ ওই ব্যবসার কথা পরিবারের অন্যদের জানান এবং বলেন, তিনি আর ব্যবসাটা করতে চান না। মোর্শেদ ব্যবসা করতে না চাইলেও আসামিরা টাকা পাবেন দাবি করে মোর্শেদকে ধারাবাহিকভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। এমনকি বাসায় গিয়েও নানাভাবে হুমকি দেন। এর মধ্যে এক রাতে শারুন গাড়ি নিয়ে মোর্শেদের বাসার নিচে গিয়েছিলেন সদলবলে। কিন্তু তিনি গাড়ি থেকে নামেননি। তবে সাঙ্গপাঙ্গরা গাড়ি থেকে নেমে মোর্শেদের ফ্ল্যাটের সামনে গিয়ে নানাভাবে হুমকি দিয়েছিলেন বলে মামলার বাদীর অভিযোগ।

 



সাতদিনের সেরা