kalerkantho

শুক্রবার। ৩১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ মে ২০২১। ০২ শাওয়াল ১৪৪২

সবিশেষ

লাল গ্রহে রংধনু!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লাল গ্রহে রংধনু!

হলদে নরম আলোয় ভরা আকাশ, তারই মাঝে সাতরঙা রংধনু! মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মঙ্গলযান পারসিভিয়ারেন্স লাল গ্রহের আকাশের এমনই ছবি পাঠিয়েছে। আর নাসার পক্ষ থেকে সেই ছবি টুইট করতেই শোরগোল, বিতর্ক। আপাতত মহাকাশবিজ্ঞানীদের আলোচনার কেন্দ্রে মঙ্গলাকাশের এই অপূর্ব ছবিই। যদিও প্রতিবেশী গ্রহের আবহাওয়ায় ‘রংধনু’ তৈরি কতটা সম্ভব, তা নিয়ে স্পষ্ট যুক্তি দিয়েছে নাসা। তবে যুক্তির বাইরে কল্পনার জগৎ তো আরো ব্যাপ্ত। তাই ভিনগ্রহের আকাশেও পৃথিবীর মতো রঙের খেলা দেখার কল্পনায় বুঁদ অনেকে।

গত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি মঙ্গলপৃষ্ঠে অবতরণ করে নাসার ‘পারসিভিয়ারেন্স’ রোভারটি। তারপর লাল গ্রহে ঘুরে বেড়িয়ে নানা তথ্য পাঠাচ্ছে নাসার নিয়ন্ত্রণ কক্ষে। কয়েক দিন আগে সেটি মঙ্গলের হলদে আকাশে রঙের রেখার একটা ছবি পাঠিয়েছে। আর নাসা তা টুইট করতেই নিমেষে সেটি ভাইরাল, হয়ে উঠেছে আকর্ষণ, আলোচনার কেন্দ্র। ছবিটা এক ঝলক দেখে অনেকেরই মনে হয়েছে, মঙ্গলের আকাশে ওটা বুঝি রংধনু। কিন্তু ছবিটি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে গবেষণার পর বিজ্ঞানী মহলের একাংশ বলছে, ‘রংধনু’ হওয়া সম্ভব নয় মঙ্গলের আকাশে।

বিজ্ঞান বলছে, আকাশে ভাসমান জলকণার ওপর সূর্যের আলো পড়লে তবেই রংধনু দৃশ্যমান হয়। কিন্তু মঙ্গলের আবহাওয়ায় জলকণা এতটা ঘনীভূত হওয়ার কোনো পরিবেশ নেই। তাই রংধনু তৈরি হওয়াও সম্ভব না। তাহলে অবিকল ওই দৃশ্য কিভাবে দেখাল নাসার রোভারটি? নাসার ব্যাখ্যা, রোভারটিতে উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন ক্যামেরা রয়েছে। যার লেন্সের প্রভাবে এই বর্ণচ্ছটা তৈরি হয়েছে। লাল গ্রহের মাটি থেকে সূর্যরশ্মিকে লেন্সের সাহায্যে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তাতেই এই রংধনু ‘ইফেক্ট’। তার পরও কেউ কেউ মানতে নারাজ যে নাসার ওই ছবিটি শুধুই পারসিভিয়ারেন্সের ক্যামেরার কারসাজি! আসলে কল্পনার চোখে মানুষ বহির্জগতের যেকোনো কিছুর সঙ্গেই পৃথিবীর মিল খুঁজে পেতেই তো আগ্রহী। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন।