kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

আত্মগোপনের ছয় বছর পর আদালতে সাবেক মেয়র

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

২৪ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আত্মগোপনের ছয় বছর পর আদালতে সাবেক মেয়র

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি আত্মসমর্পণ করতে গতকাল সোমবার আদালতে হাজির হয়েছিলেন, তবে বিচারক ছুটিতে থাকায় তিনি আত্মসমর্পণ করতে পারেননি। পরে তিনি আদালত ছেড়ে যান।

টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান এবং মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রায় ছয় বছর আত্মগোপনে থাকা সহিদুর গতকাল সকাল ১০টার দিকে তাঁর বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান এবং ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে যান। তবে বিচারক সিকান্দার জুলকার নাঈম ছুটিতে থাকায় তিনি আত্মসমর্পণ করতে পারেননি।

এদিকে ফারুক হত্যা মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে টাঙ্গাইল শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে শহরের শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে যায়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।    

টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি, শহর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ মিজানুর রহমান লিটন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক  -লীগের সহসভাপতি মাহমুদুর রহমান খান বিপ্লব প্রমুখ সমাবেশে যোগ দেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। তদন্তে নেমে গোয়েন্দা পুলিশ রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের জবানবন্দিতে এ হত্যাকাণ্ডে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা এবং তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার তথ্য বেরিয়ে আসে। এরপর আমানুর ও তাঁর ভাইয়েরা আত্মগোপনে চলে যান। ২২ মাস পলাতক থাকার পর আমানুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় দুই বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে এসেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা