kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

ছিনতাইয়ের ৪৫ লাখ টাকায় কক্সবাজার ভ্রমণ

সিসি ক্যামেরায় ধরা, গ্রেপ্তার ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছিনতাইয়ের ৪৫ লাখ টাকায় কক্সবাজার ভ্রমণ

ব্যাবসায়িক অংশীদারের ৪৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ছিনতাই করে একজন ঋণ পরিশোধ করেছেন, আর তাঁর (ছিনতাইয়ের হোতা) সহযোগীদের কয়েকজন করেছেন কক্সবাজার ভ্রমণ। পেশাদার ছিনতাইকারী না হলেও ঘটনা ঘটিয়েছেন পেশাদারদের চেয়ে বেশি কৌশলে। রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর এক ব্যবসায়ীর টাকার ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা তদন্তে পুলিশ এমনই তথ্য পেয়েছে।

পুলিশ দেড় শর বেশি সিসি ক্যামেরা বিশ্লেষণ করে চিহ্নিত করেছে ছিনতাইকারী চক্রটিকে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাতজনকে।

তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ছিনতাই ঘটনার হোতা ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর ব্যাবসায়িক অংশীদার সুলতান। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পল্টনের পলওয়েল মার্কেটের ব্যবসায়ী সজিব আহমেদ কেরানীগঞ্জ থেকে টাকা নিয়ে পল্টনে আসছিলেন। পথে সদরঘাটে ঘটে ছিনতাইয়ের ঘটনা। মাস্টারমাইন্ড সুলতান দুইবার ব্যর্থ হয়ে তৃতীয়বার ছিনতাইয়ে সফল হন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, টাকার ব্যাগ ছিনতাই করে দৌড়ে পালাচ্ছেন সালাউদ্দীন আহমেদ তন্ময় নামের এক যুবক। তন্ময় বারবার ফোনে কথা বলছেন। তাঁকে অনুসরণ করছেন কয়েকজন। একটি ফোনকলের সূত্র ধরে প্রথমে মূল হোতা সুলতান ও পারভেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যে ১২ অক্টোবর বাকি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুলতান এই ছিনতাইয়ের ১১ লাখ টাকা দিয়ে নিজের ঋণ পরিশোধ করেছেন। ১৮ লাখ টাকা নিয়ে পারভেজ, তুষার ও মাসুম চলে যান কক্সবাজারে প্রমোদ ভ্রমণে। বাকি টাকা নেন অন্য সদস্যরা।

ব্যবসায়ী সজিব আহমেদ বলেন, ‘পুলিশের মতো তুলে নেওয়ার ভান করে ব্যাগ নিয়ে বাদামতলীর দিক চলে যায়।’ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার বলেন, ‘তারা কিন্তু পুরো ছিনতাইয়ে কোনো অস্ত্র ব্যবহার করেনি। টাকার মালিকের সঙ্গে পরিচয় ছিল। দুই মাস ধরে তাদের ফলো করে করেছে। এর আগে ছিনতাইয়ের দুইবার চেষ্টা চালিয়েছে। ছিনতাই হওয়া পাঁচ লাখ টাকা উদ্ধার করা গেছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা