kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৬ সফর ১৪৪২

পানি কমায় স্বস্তি ফিরছে

► আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়ছে বানভাসিরা
► রাজধানীর আশপাশের নদ-নদীর পানিও হ্রাস পাচ্ছে
► নওগাঁয় ২৫, চাঁদপুরে ছয় কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পানি কমায় স্বস্তি ফিরছে

দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলীয় বিভিন্ন জেলার বন্যাকবলিত এলাকা থেকে পানি সরে যেতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও বন্যাদুর্গতরা আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজেদের ঘরবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। পানি কমছে রাজধানী ঢাকার আশপাশের নদ-নদীরও।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নাটোর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হতে পারে।

তবে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। প্রায় সাত হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। সাড়ে তিন শর বেশি পরিবার ব্রিজ, কালভার্ট, উঁচু রাস্তা ও আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার পাশাপাশি গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকা ও আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীর পানি সমতলে হ্রাস পাচ্ছে।

বন্যায় ডুবে যাওয়া অনেক এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রসহ উঁচু সড়ক ও ব্রিজে আশ্রয় নেওয়া বন্যাদুর্গতরা নিজেদের ঘরবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর জোনের কর্মকর্তারা জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীর সব পয়েন্টে পানি বিপত্সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। উজানে পানির চাপ কমে যাওয়ার কারণে এমনটা হয়েছে।

দুই দিনের মাথায় চাঁদপুরে মেঘনা নদীর জোয়ারের পানির উচ্চতাও হ্রাস পেয়েছে। এর আগে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার মেঘনায় প্রচণ্ড জোয়ার সৃষ্টি হলে চাঁদপুর শহরসহ নদীপারের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং হাইমচরের ছয়টি ইউনিয়নে পানি ঢুকে পড়ে। এতে তলিয়ে যায় বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাছের ঘের ও পানের বরজ।

নওগাঁয় সব মিলিয়ে ২৫ কোটি পাঁচ লাখ ২৪ হাজার টাকার মাছ ভেসে গেছে। বেশির ভাগ মাছচাষি বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করেন।

(তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন নওগাঁ প্রতিনিধি, কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি ও চাঁদপুর প্রতিনিধি)

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা