kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

চট্টগ্রামে ছাত্রদল

বিবাহিতদের হাতে অবরুদ্ধ নগর বিএনপি নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৬ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিবাহিতদের হাতে অবরুদ্ধ নগর বিএনপি নেতারা

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ছাত্রদলের বিবাহিত নেতাকর্মীদের অবরোধের শিকার হয়েছেন। নগর ছাত্রদলের কমিটি গঠন ও তাতে নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে নগর বিএনপির নেতাদের প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন ছাত্রদলের বিবাহিত নেতারা। বন্দর নগরের নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে গতকাল বুধবার এই ঘটনা ঘটেছে। তবে নগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অবরুদ্ধ হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে করোনা রোগীদের জন্য ফ্রি অক্সিজেন ও মেডিসিনসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠান ছিল গতকাল। এতে যোগ দিতে নগর বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সকালে নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে সমবেত হন। অনুষ্ঠান শেষে বিবাহিত ছাত্রনেতাদের নগর ছাত্রদলের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি তোলেন ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী। এ সময় ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ রিমন নামের একজন বিবাহিত-অবিবাহিত সমন্বয়ে কমিটির দাবি জানান। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য কর্মীরা একই দাবিতে বিএনপি নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় আটকা পড়েন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, যুগ্ম সম্পাদক এসকান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, নগর ছাত্রদল সভাপতি ও নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গাজী সিরাজ উল্লাহ, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন নেতা। পরে বিবাহিত-অবিবাহিত সমন্বয়ে কমিটি গড়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁরা অবরোধমুক্ত হন।

নগর ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ রিমন বলেন, ‘আমরা চাই, শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি রাজপথের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করে নগর ছাত্রদলের কমিটি হোক। বিবাহিত-অবিবাহিত শর্ত সামনে এনে ত্যাগীদের বাদ দেওয়া যাবে না।’

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘অবরুদ্ধ নয়, তাঁরা কর্মসূচি করে আমাদের সামনে জড়ো হয়েছেন। তাঁরা কমিটিতে রাখার জন্য আমাদের কাছে দাবি জানিয়েছেন। আমরা বিষয়টি দেখব বলেছি।’ 

অবরুদ্ধ রাখার বিষয়টি অস্বীকার করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তাঁরা কমিটিতে বিবাহিতদের রাখার দাবি নিয়ে এসেছিলেন। যাঁরা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, তাঁদের কমিটিতে রাখতে সুপারিশ করব। দলের দুঃসময়ে পাশে থাকা নেতাকর্মীদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা উচিত।’

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা