kalerkantho

বুধবার । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭। ১২ আগস্ট ২০২০ । ২১ জিলহজ ১৪৪১

মাদকদ্রব্যের তালিকায় টাপেন্টাডল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদকদ্রব্যের তালিকায় টাপেন্টাডল

ব্যথানাশক হিসেবে ব্যবহৃত টাপেন্টাডলজাতীয় ওষুধকে ‘মাদকদ্রব্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। মাদকসেবীরা ওই জাতীয় ওষুধকে মাদকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করায় একে ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তফসিলে যুক্ত করে গত ৮ জুলাই গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

সেখানে বলা হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রস্তাব মতে, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী ওই আইনে ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে টাপেন্টাডলকে তফসিলভুক্ত করা হলো।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬৫ ধারায় বলা আছে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে তফসিল সংশোধন করে কোনো মাদকদ্রব্যের নাম অন্তর্ভুক্ত বা বাদ দিতে পারবে। ধরন ও ব্যাপকতার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের মাদককে ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ভাগ করে সেগুলোকে সময়ে সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তফসিলভুক্ত করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোনো দ্রব্য বা মাদকদ্রব্যের সঙ্গে অন্য যেকোনো দ্রব্য একীভূত, মিশ্রিত কিংবা দ্রবীভূত থাকলে সেসব দ্রব্যকেও মাদকদ্রব্য হিসেবে গণ্য করা হয়।

বাংলাদেশের কয়েকটি ওষুধ কম্পানি বিভিন্ন নামে এই ট্যাবলেট উৎপাদন করে। কম্পানিভেদে একেকটি ট্যাবলেটের দাম ১২ থেকে ১৭ টাকা। দাম কম হওয়ায় এবং সহজে পাওয়া যায় বলে এই ধরনের ব্যথানাশক ট্যাবলেট নেশার সামগ্রী হিসেবে ব্যবহারের খবর দুই-তিন বছর ধরেই সংবাদমাধ্যমে আসছিল।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, টাপেন্টাডলকে মাদকদ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করায় এসব ট্যাবলেট উৎপাদন না করতে কম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে কোনো কোনো কম্পানি এই ট্যাবলেটের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা