kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

পাপুলের কাছ থেকে ‘ঘুষ নিয়ে’ বরখাস্ত কুয়েতি জেনারেল

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাপুলের কাছ থেকে ‘ঘুষ নিয়ে’ বরখাস্ত কুয়েতি জেনারেল

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি মেজর জেনারেল মাজেন আল-জারাহকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ এক আদেশ জারি করে তাঁকে বরখাস্ত করেন।

আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাপুলের সঙ্গে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন এবং ঘুষ গ্রহণের অপরাধে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কুয়েতি এই কর্মকর্তা অনৈতিক সব কাজে পাপুলকে সহযোগিতা করেছেন।

কুয়েতের সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, মানবপাচার, মুদ্রাপাচার ও শ্রমিক নিপীড়নের অভিযোগে কুয়েতের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গত ৬ জুন পাপুলকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় তদন্তদল। পাপুল যাতে কুয়েতে থাকা তাঁর ১৪০ কোটি টাকা ও সম্পদ অন্যত্র স্থানান্তর করতে না পারেন সে জন্য সেগুলো জব্দ করা হয়েছে। গত ২৪ জুন তাঁকে রিমান্ড শেষে ২১ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়। আগামী মাসের প্রথমার্ধেই তাঁর বিরুদ্ধে কুয়েতের আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর পাঁচ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো জানায়, সংসদ সদস্য হিসেবে পাপুলের ‘কূটনৈতিক পাসপোর্ট’ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি তা নেননি। এর ফলে কুয়েতে তাঁর অপরাধের দায়মুক্তি পাওয়ার সুযোগ নেই। এ ছাড়া পাপুলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ কুয়েতে উঠেছে তাতে বাংলাদেশ সরকারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে।

কুয়েত থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, পাপুলকাণ্ডের পরিণতি কী হয় তা বলা কঠিন। পাপুলের মোবাইল ফোনে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। কুয়েতের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েই নানা প্রশ্ন উঠছে। এতে দেশের সুনাম ব্যাপকভাবে বিনষ্ট হচ্ছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা