kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য

শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছানোর কাজ চলছে

ঢাকার ৫০টি মিল্ক ভিটা কর্নার হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছানোর কাজ চলছে

গ্রামের মানুুষের কাছে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। চলছে গ্রামীণ জনপদে সংযোগ সড়ক তৈরির কাজ। আর মুজিববর্ষ সামনে রেখে ঢাকার ৫০টি থানায় ৫০টি ‘মিল্ক ভিটা কর্নার’ স্থাপন করা হবে। এসব কর্নারে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি করা হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য ‘কালের কণ্ঠ মন্ত্রীর মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন। কালের কণ্ঠ’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক পার্থ সারথি দাসের সঞ্চালনায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় কালের কণ্ঠ ফেসবুক পেজ থেকে এ অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয়। প্রতিমন্ত্রী মুজিববর্ষ সামনে রেখে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং গত এক বছরে মন্ত্রণালয়ের অর্জন নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের আত্মপরিচয়ের সুযোগ করে দিয়েছেন। বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা তাঁর জন্যই আজ আত্মপরিচয় দিতে পারছি। মুজিববর্ষ সামনে রেখে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা তো আছেই। তার পাশাপাশি আমরা আমাদের মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অধীনে বিভিন্ন কর্মসূচি বা উদ্যোগ নিয়েছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারেই বলা হয়েছে, গ্রামকে শহরের সুবিধা দেওয়া হবে।

আমরা ১৬টি গ্রামকে প্রাথমিকভাবে বেছে নিয়েছি। আদর্শ প্রকল্প হিসেবে এটি প্রথমে বাস্তবায়ন করা হবে। তারপর এ প্রকল্প সম্প্রসারণ করা হবে আরো বিভিন্ন এলাকায়। এ জন্য গ্রামের মানুষেরা কী কী সুবিধা চায়, তা তাদের কাছ থেকেই আমরা জেনে নিয়েছি। তাদের কাছ থেকে মতামত পাওয়ার পর প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের অধীনে কাজ চলছে।’

স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ঢাকার ৫০টি থানায় ৫০টি মিল্ক ভিটা কর্নার স্থাপন করা হবে। প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে দুজন নারী বিক্রয়কর্মী থাকবেন। বঙ্গবন্ধু মিল্ক ভিটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাই তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে আমরা মিল্ক ভিটার সেবা জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে চাইছি।’ তিনি বলেন, মিল্ক ভিটার মূল কারখানা সিরাজগঞ্জে। তৃণমূল পর্যায় থেকে দুধ সরবরাহে খরচ বেশি, দুগ্ধ ব্যবসায়ীরাও ন্যায্য মূল্য পান না। সরবরাহ ব্যয় বেশি হওয়ায় লাভজনক হওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ কারণে মাঝারি ও ক্ষুদ্র কারখানা করা হবে। এতে দাম কম হবে। এ ক্ষেত্রে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাও তৈরি করা হবে, যাতে দুগ্ধ খাত বিকশিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিআরডিবির একটি তাত্পর্যপূর্ণ প্রকল্প আছে। তাদের ও গ্রামীণ জনগণের অংশগ্রহণে মূল সড়ক থেকে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নে এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গ্রামের মানুষ বাড়ি থেকে বের হয়ে কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ, মন্দির, কবর, শ্মশান, স্কুল ও অন্যান্য জায়গায় চলাচলের জন্য সংযোগ সড়ক ব্যবহার করতে চায়। এসব সড়ক বেশি দীর্ঘ নয়। এ ধরনের সংযোগ সড়ক করা হচ্ছে গ্রামীণ জনপদে। এর কাজ এগিয়ে চলেছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা