kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

ইভিএম বঙ্গোপসাগরে ফেলতে বললেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইভিএম বঙ্গোপসাগরে ফেলতে বললেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বলেছেন, ‘ইভিএমকে বঙ্গোপসাগরে ফেলতে হবে।’

গতকাল শনিবার বিকেলে সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সেমিনার কক্ষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্যোগে ঢাকা সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার এবং নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফ্রন্ট নেতারা এ কথা বলেন। এতে লিখিত বক্তব্য পড়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য আ স ম আবদুর রব। সংবাদ সম্মেলনে ইভিএমে ত্রুটি ও ভোট কারচুপির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি রব বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, এই ইভিএমকে সারা পৃথিবীতে বর্জন করা হয়েছে। এই ইভিএমকে বুড়িগঙ্গা নয়, বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হোক। এই মেশিন বাংলাদেশের মানুষ চায় না। এই ইভিএম ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। ভোটাররা যদি বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ইভিএম ছুড়ে ফেলে দেয়, আমাদের বলার কিছু থাকবে না।’

রব বলেন, ‘নতুন ডাকাতির পদ্ধতি হচ্ছে ইভিএম। নতুন ডাকাতির বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করছি, এই মেশিন চালু করতে পারবে না। নির্বাচন কমিশন বলেছিল যদি ভোটার ও অংশীদাররা না চায়, তাহলে তারা ইভিএম চালু করবে না। এখন জোর করে নির্বাচন কমিশন পেপার ট্রেইল ছাড়া ইভিএম চালু করছে।’

ইভিএমেই ভোট হচ্ছে, তাহলে আপনারা ভোট বর্জন করবেন কি না—এই প্রশ্নের জবাবে রব বলেন, ‘আন্দোলনে বর্জন হতে পারে, বর্জনের পরে আর কিছু থাকে না, বর্জনের পরে তো আর কিছু নেই। আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখব। যদি শেষ পর্যন্ত আর কোনো পথ না থাকে, তখন সর্বশেষ পথটি অবলম্বন করব কি না, সেটা এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি আমরা।’ তিনি বলেন, ‘বুয়েটের যে মেশিন ছিল, যিনি ওই মেশিনের উদ্যোক্তা, যিনি ওই মেশিনের প্রকৌশলী তিনি পরিষ্কার বলেছেন, পেপার ট্রেইল না থাকলে একজন ভোটারের পক্ষে জানা সম্ভব নয় তাঁর ভোট কোথাও কারচুপি হচ্ছে কি না। এই ইভিএমে পেপার ট্রেইল যেহেতু নেই, সেহেতু এই পদ্ধতি বাতিল করা উচিত। আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি, বর্তমান বাংলাদেশে যে নির্বাচন কমিশন, তারা জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করছে, সরকারের পক্ষে কাজ করতেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ড. আব্দুল মঈন খান, গণফোরামের অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জগলুল হায়দার আফ্রিক, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, শহীদুল্লাহ কায়সার, বিকল্পধারার অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণস্বাস্থ্য সংস্থার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডির সানোয়ার হোসেন তালুকদার, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা