kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১০ মাঘ ১৪২৬। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

কারুপণ্য প্রসারের প্রত্যয়

শেষ হলো হেরিটেজ কার্নিভাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেষ হলো হেরিটেজ কার্নিভাল

বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল গুলশান লেক পার্কে দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে নানা আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফটস ও গুলশান সোসাইটির যৌথ উদ্যোগের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী। ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশের কারুপণ্য বহির্বিশ্বে তুলে ধরতে কারুপণ্যের প্রচার ও প্রসারের প্রত্যয়ে শেষ হলো দুই দিনের কারুপণ্যের উৎসব। হেরিটেজ উইন্টার কার্নিভাল শীর্ষক এ উৎসবের আয়োজক বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশন, গুলশান সোসাইটি ও শিল্প মন্ত্রণালয়। রাজধানীর গুলশান লেক পার্কে গতকাল শনিবার সমাপনী দিনে ফ্যাশন শো, কারুপণ্যের প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনার মধ্য দিয়ে দেশের ঐতিহ্যবাহী কারুপণ্যের জয়গান গাওয়া হয়। ‘মহান বিজয় দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, একটি উন্নত দেশের স্বপ্ন, অর্থনৈতিক মুক্তির, সেটা তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করে চলছেন। শেখ হাসিনা আমাদের জন্য আলোকবর্তিকা। নারীর উন্নয়নসহ দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন তিনি।’

বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফট ফাউন্ডেশনের সভাপতি টুটলী রহমানের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েই। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মনোরম কারুপণ্যে মুগ্ধতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এ দেশের মসলিন ও জামদানির খ্যাতি পৃথিবীজুড়ে। কারুপণ্যে বাংলাদেশ অনন্য।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ফেয়ার গ্রুপের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) হামিদ আর চৌধুরী।

উৎসবে নান্দনিক ও শৈল্পিক ডিজাইনের কারুশিল্পের পণ্যে মুগ্ধ হয় দেশি-বিদেশিরা। কার্নিভালের বিভিন্ন স্টলে প্রদর্শিত ও বিক্রি হয় হাতে তৈরি কম্বল, পাটপণ্য, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের হাতে তৈরি পণ্য, নকশি কাঁথা, বেনারসিসহ বাহারি কারুপণ্য।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা