kalerkantho

শুক্রবার । ৭ কার্তিক ১৪২৭। ২৩ অক্টোবর ২০২০। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

রাবিতে সোহরাবকে ছাত্রলীগের মারধর

মূল আসামিদের স্থায়ী বহিষ্কারে আলটিমেটাম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মূল আসামিদের স্থায়ী বহিষ্কারে আলটিমেটাম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) একটি আবাসিক হলে মধ্যরাতে শিক্ষার্থী সোহরাবকে দুই ছাত্রলীগকর্মীর মারধরের ঘটনায় দ্বিতীয় দিনের মতো ক্যাম্পাসে আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে মূল অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় গতকাল রবিবার দুপুর ১২টায় প্রশাসনিক ভবনের ফটক ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি করেন তাঁরা। ঘণ্টাব্যাপী অবস্থানের পর জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করেন।

গতকাল দুপুরে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত রাকিবুল ইসলাম ওরফে আসিফ ও হুমায়ুন কবীর ওরফে নাহিদকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পরে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন হুমায়ুন কবীরকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন প্রক্টর লুত্ফর রহমান, সিন্ডিকেট সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ জুলকার নায়েন ও সহকারী প্রক্টর হাসানুর রহমান।

এদিকে অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগকর্মীকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। গতকাল সকাল ১১টার দিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনের সামনে ‘নিপীড়নবিরোধী ছাত্র-শিক্ষক ঐক্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে তাঁরা এ দাবি জানান। এ সময় সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা আফরীনা মামুন, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আখতার বানু, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ শামস্ বিন তারিক প্রমুখ বক্তব্য দেন।

গত শুক্রবার মধ্যরাতে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের ২৫৪ নম্বর কক্ষে ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী সোহরাব মিয়াকে ডেকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদ। সোহরাব রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তিনি নগরীর মতিহার থানায় তিনজনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

মতিহার থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, মামলার ৩ নম্বর আসামি আকিমুল ইসলাম রিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রধান দুই আসামি আসিফ ও নাহিদ রাজশাহীতে নেই বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা