kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

সবিশেষ

‘দুইডা পেঁয়াজ বিক্কা দেইন্নি গো’

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘দুইডা পেঁয়াজ বিক্কা দেইন্নি গো’

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ঠেকেছে। দাম নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের বচসা দেখা গেল।

এরই মধ্যে পেঁয়াজের দোকানের সামনে দেখা গেল দুই নারী ভিক্ষুককে। তাঁরা বলে উঠলেন, ‘আল্লাহর ওয়াস্তে দুইডা পেঁয়াজ বিক্কা দেইন্নি গো বাবা।’ তখন ভিক্ষুকদের দুই টাকা করে দিতে চাইলেন দোকানি। তবে ওঁরা নাছোড়বান্দা, পেঁয়াজই নেবেন। বাধ্য হয়ে দোকানি তাঁদের একটি করে পেঁয়াজ দিলেন।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ দোকানে পেঁয়াজ নেই। দু-একটি দোকানে অল্প পরিমাণ দেশি পেঁয়াজ থাকলেও প্রতি পাঁচ কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা দরে। এ পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে।

খুচরা ব্যবসায়ী মীর আবু হোসেন বলেন, বুধবারও প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা দরে। এক দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৪০ টাকা। কিছুই করার নেই। পেঁয়াজের আমদানি খুবই কম। দেশি পেঁয়াজ ছাড়া বাজারে কোনো পেঁয়াজ নেই।

পেঁয়াজের দামের উল্লম্ফন নিয়ে বেজায় হতাশ ক্রেতারা। স্থানীয় কলেজ শিক্ষক গোলাম মোহাম্মদ ফারুকী বলেন, ‘ভাবা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে! মানুষ শাকসবজি কিনবে না পেঁয়াজ কিনবে?’

ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বাজারে আমদানি কম থাকায় পেঁয়াজের এই উচ্চ মূল্য। পাইকারি বিক্রেতা কামরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন আমার ১০০ বস্তা পেঁয়াজের প্রয়োজন, কিন্তু আজ (বৃহস্পতিবার) আমদানি করতে পেরেছি মাত্র ৪০ বস্তা পেঁয়াজ।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মাহবুব উর রহমান  বলেন, বাজার মনিটরিংয়ের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা