kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিআইএন মোটরযান চলাচলে তোড়জোড়

মেহেদী হাসান   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিআইএন মোটরযান চলাচলে তোড়জোড়

আপাতত ভুটানকে বাদ রেখেই মোটরযান চলাচল চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই নয়াদিল্লিতে এসংক্রান্ত একটি বৈঠক হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল মোটরযান চলাচল চুক্তির (বিবিআইএন এমভিএ) বিষয়ে আসন্ন বৈঠকে বিআইএন (বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল) এমভিএ প্রটোকল চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র মতে, ওই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার এ টি এম রকিবুল হক। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে থাকবেন স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, সড়ক পরিবহন ও সেতু, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের জুন মাসে চার দেশীয় মোটরযান চলাচল চুক্তি সই হলেও ভুটান সরকার এখনো তাদের পার্লামেন্টে ওই চুক্তি অনুমোদন করাতে পারেনি। কবে নাগাদ পারবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণাও দিতে পারছে না। এমন প্রেক্ষাপটে চার দেশীয় ওই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক কালের কণ্ঠকে বলেন, গত ৫ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠকে বিবিআইএন মোটরযান চলাচলের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। সেখানেই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীরা সিদ্ধান্ত নেন যে ভুটান ওই চুক্তি বাস্তবায়নে প্রত্যাশিত গতিতে না এগোতে পারলে অন্য দেশগুলো এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে ওই চুক্তি বাস্তবায়ন শুরু করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মাসের শেষ সপ্তাহে আজারবাইজানে ন্যাম সম্মেলনের ফাঁকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সঙ্গে বৈঠকে বিবিআইএন চুক্তি বাস্তবায়নে দেরি হলে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে ওই চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নেপালও এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। তারাও মনে করে, বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল নিজেদের মধ্যে মোটরযান চলাচল শুরু করতে পারে।

আগামী দিনে এ চুক্তির ব্যাপারে ভুটানে অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য কাটলে ভুটানও এতে যুক্ত হতে পারে এবং এই চুক্তি পুরোপুরি কার্যকর হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে যাত্রী ও পণ্যবাহী মোটরযান চলাচলের টোল, নিরাপত্তা, জ্বালানিসহ এ সম্পর্কিত সব বিষয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হবে। এই অঞ্চলের মানুষে মানুষে যোগাযোগ ও বাণিজ্য আরো বাড়াতে শিগগিরই অন্তত এই তিন দেশের মধ্যে যান চলাচল শুরু করার ব্যাপারে শীর্ষ নেতাদের আগ্রহ রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা