kalerkantho

হাজিরা মিনায় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হজের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাজিরা মিনায় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হজের

পবিত্র হজ পালনের জন্য মক্কায় সমবেত হওয়া বিশ্বের প্রায় ২০ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান গতকাল বৃহস্পতিবার মিনায় পৌঁছেছেন। এর মাধ্যমে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো। হজের অংশ হিসেবে তাঁরা ৭ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা ও মক্কায় অবস্থান করবেন।

স্থানীয় সময় গতকাল সন্ধ্যার পর নিজ নিজ মুয়াল্লিম কার্যালয় কিংবা মসজিদুল হারাম (কাবা শরিফ) থেকে হজের নিয়ত করে মিনার উদ্দেশে রওনা হন হজযাত্রীরা। তাঁদের পরনে সেলাইবিহীন দুই টুকরা সাদা কাপড়। মিনামুখী পুরো  রাস্তায় ছিল হজযাত্রীদের স্রোত। কেউ বাসে, কেউ গাড়িতে, কেউ বা হেঁটে মক্কা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন। তাঁদের মুখে ছিল ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি‘মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।’

আজ শুক্রবার হজযাত্রীরা মিনায় অবস্থান করবেন। আগামীকাল শনিবার ফজরের নামাজ আদায় করে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে যাবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে থাকবেন। এরপর প্রায় আট কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় গিয়ে রাত যাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন। রবিবার ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে মিনায় ফিরবেন।

হাজিরা মিনায় বড় শয়তানকে পাথর মারবেন, কোরবানি দেবেন এবং মাথা মুণ্ডন বা ন্যাড়া করবেন। এরপর মক্কায় গিয়ে কাবা শরিফ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সায়ি করবেন। তাওয়াফ ও সায়ি শেষে আবার মিনায় ফিরে সোম ও মঙ্গলবার অবস্থান করবেন। সেখানে প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন তাঁরা। প্রত্যেক শয়তানকে সাতটি করে পাথর মারতে হয়। মসজিদে খায়েফের দিক থেকে মক্কার দিকে আসার সময় প্রথমে জামারায় সগির বা ছোট শয়তান, এরপর জামারায় ওস্তা বা মেজো শয়তান, এরপর জামারায় আকাবা বা বড় শয়তানকে পাথর মারতে হবে। শয়তানের প্রতি ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এই পাথর নিক্ষেপ করা হয়।

মক্কা থেকে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাওয়ার মহাসড়কের পাশে মিনার অবস্থান। এর আয়তন প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার। সেখানে হাজিদের জন্য প্রায় এক লাখ অস্থায়ী তাঁবু রয়েছে। এ জন্য মিনাকে বলা হয় তাঁবুর শহর।

 

 

মন্তব্য