kalerkantho

তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

খুলনার সেই ওসি এসআই প্রত্যাহার

খুলনা অফিস   

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনার সেই ওসি এসআই প্রত্যাহার

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার এক তরুণী আদালতে খুলনা রেলওয়ে থানা হাজতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ করার পর থানার ওসিসহ দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন খুলনা জিআরপি (রেলওয়ে) থানার ওসি ওসমান গণি পাঠান ও উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান।

এই দুই পুলিশ সদস্যকে পাকশী রেলওয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার সকালে কুষ্টিয়া রেলওয়ে সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য ওসিসহ দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। 

তিন সন্তানের জননী ওই তরুণীর অভিযোগ, গত শুক্রবার তিনি যশোর থেকে ট্রেনে করে খুলনায় পৌঁছেন। খুলনা রেলস্টেশনে নামার পর কর্তব্যরত জিআরপি সদস্যরা তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে থানা হাজতে পাঁচ পুলিশ সদস্য তাঁকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

পরদিন শনিবার ওই তরুণীকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পাঁচ বোতল ফেনসিডিলসহ খুলনার জ্যেষ্ঠ বিচার বিভাগীয় হাকিম আদালতে সোপর্দ করা হয়। খুলনা রেলওয়ে থানা পুলিশের দাবি, বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী কমিউটার ট্রেনের একটি বগি থেকে ওই নারীকে ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়েছে। যদিও তাঁর বোন বলেছেন, খুলনা রেলস্টেশনে নামার পর রেলপুলিশ তাঁকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে।

এর পরদিন গত রবিবার আদালতে তাঁর জামিন শুনানিকালে ওই তরুণী আদালতের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। এরপর আদালতের নির্দেশে গত সোমবার তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

এ ঘটনায় পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের নির্দেশে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রধান কুষ্টিয়া রেলওয়ে সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ।

সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, বাকি তিন পুলিশ সদস্যের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

মন্তব্য