kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

সবিশেষ

বিএমডাব্লিউতে তেল ভরতে মুরগি চুরি!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএমডাব্লিউতে তেল ভরতে মুরগি চুরি!

কথায় বলে হাতি কেনা সহজ। কিন্তু হাতি পোষা বড় কঠিন। এ কথা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন চীনের লিনশুইয়ের সিঞ্চুয়ান প্রদেশের এক ব্যবসায়ী।

বড় ব্যবসা তাঁর। পয়সাকড়িও ভালোই। তাই শখ করে পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে বিএমডাব্লিউ কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু আন্দাজ ছিল না এত তেল লাগে। গাড়ি কিনে তো আর তা ফেলে রাখা যায় না। তেলের পয়সা জোগাড় করতে তাই মাথায় হাত পড়ে যায় এ ব্যবসায়ীর। উপায় তো একটা কিছু বের করতে হবে! করেওছিলেন। কিন্তু কয়েক মাস ওই ফর্মুলায় চললেও অবশেষে ধরা পড়তে হলো।

সিঞ্চুয়ানের এক পোল্ট্রি মালিকের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল বিএমডাব্লিউর মালিকের। প্রায়ই যেতেন ফার্মে। কিন্তু কয়েক মাস ধরে ওই পোল্ট্রি মালিক খেয়াল করছেন, ওই ভদ্রলোক যেদিন আসেন, সেদিনই কমে যায় মুরগি ও হাঁস। কিন্তু এত দিনের বন্ধুকে তো আর দুম করে চোর বলে দেওয়া যায় না। অপেক্ষা করছিলেন। কবে সুযোগটা আসে। হাতেনাতে ধরবেন।

এই করতে করতে চলতি সপ্তাহের একদিন ওই পোল্ট্রি ফার্মে যান বিএমডাব্লিউর মালিক। কর্মচারীরা বলেন, মালিক নেই। ব্যস! সেই শুনেই আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় আরো। পুরোটাই ছিল পাকড়াও করার কৌশল। ফার্মে ঢুকে হাঁস-মুরগি নিয়ে বেরোতে যাওয়ার মুখেই পোল্ট্রি মালিক এসে পড়েন। কার্যত ভ্যাবাচাকা খেয়ে যান বিএমডাব্লিউর মালিক।

ডাকা হয় পুলিশ। ধরা হয় ‘মুরগি চোর’ বিএমডাব্লিউর মালিককে। জুয়ান প্রদেশের পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই ব্যক্তি গাড়ির

তেলের টাকা জোগাড় করতেই যে হাঁস-মুরগি চুরি করতেন তা জেরায় স্বীকার করে নিয়েছেন।’ তবে পুরনো খাতিরের কথা মাথায় রেখেই ওই পোল্ট্রি মালিক পুলিশকে অনুরোধ করেছেন, যাতে জরিমানা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। সূত্র : দ্য ওয়াল।

 

মন্তব্য