kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

জঙ্গি হামলা

বাংলাদেশ থেকে দুটি আন্তর্জাতিক সভা সরে গেল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ থেকে দুটি আন্তর্জাতিক সভা সরে গেল

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি নামের রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায় বিদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ১০ দিন পর দুটি আন্তর্জাতিক সভার স্থান বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে সংশ্লিষ্ট দুটি সংগঠন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে গতকাল সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় সাড়ে ৩০০ বিদেশি প্রতিনিধির অংশগ্রহণে আগামী ২৪ জুলাই থেকে ২৮ জুলাই ঢাকায় অনুষ্ঠেয় মুদ্রাপাচার বিষয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বার্ষিক সভা বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দি এশিয়া প্যাসিফিক মানি লন্ডারিং গ্রুপ (এপিজিএমএল) নামের এ সংগঠন অবৈধ অর্থপাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে থাকে, যার সদস্য বাংলাদেশও।

গতকাল সংগঠনটির ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বার্ষিক সভার স্থান বাংলাদেশ থেকে সরানোর কথা জানানো হলেও কী কারণে স্থান বদল সেই কারণ জানানো হয়নি। শুধু বলা হয়, আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভার সময় ও সুনির্দিষ্ট স্থান পরে জানানো হবে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলেছে, ১ ও ২ জুলাই ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের এক ক্যাফেতে জঙ্গিদের হামলায় ১৭ বিদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা সভার স্থান পাল্টাতে বাধ্য করেছে।

অন্যদিকে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠেয় টেলিকমিউনিকেশন বিষয়ক এশিয়া প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক ইনফরমেশন সেন্টারের সম্মেলনও (অ্যাপনিক-৪২) বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সম্মেলনটিতে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রায় ৫০০ বিদেশি নাগরিকের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। ওই সম্মেলনের স্থানীয় আয়োজক সংগঠন হিসেবে রয়েছে লোকাল হোস্ট ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। সংগঠনটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা বা থাইল্যান্ডে সম্মেলনটি করার চিন্তাভাবনা চলছে।

সংগঠকদের একজন মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম বিদেশিদের আস্থা রাখতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত আমাদের ওপর আস্থা রাখা। বাংলাদেশ সরকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা