kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

ইন্টেরিয়র

আপন গৃহ সাজাই আয়োজনে

ঈদ চলেই এলো। ঘর সাজিয়ে তোলা, ঘরের যত্ন নেওয়া—এটাও একটা শিল্প। ঈদের ঘর সাজানো নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গুলসান নাসরিন চৌধুরী

১০ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আপন গৃহ সাজাই আয়োজনে

ঘর সাজানো মানেই একগাদা কেনাকাটা, চোখ-ধাঁধানো সব অনুষঙ্গ বাজার থেকে তুলে এনে ঘর ভরিয়ে ফেলা, দামি কার্পেট, ঝালরকাটা পর্দা—তা কিন্তু নয়। আপনার সাধ্যের ভেতরেই বদলে ফেলতে পারেন ঘরের সাজ।

 

বসার ঘর

বসার ঘরে খুব বেশি আসবাব থাকলে অপ্রয়োজনীয় কিছু আসবাব সরিয়ে ফেলুন। বদ্ধ ঘর থেকে আসবাবপত্র কিছু কমিয়ে একটু খোলা জায়গা করে দিলে ঘরের চেহারা বদলে যাবে। স্বস্তিও আসবে।

বসার ঘরে সোফার কুশন কাভার আগের থেকে ভিন্ন নকশায়, অন্য কোনো রঙে সাজান। তাতেই সোফার পুরনো ভাবটা একদম চলে যাবে।

অনেক দিন ঘরের আসবাবগুলো একই জায়গায় থাকলে কিছু অদল-বদল করে দিন। নতুনত্ব আসবে ঘরের ভোলে।

মেঝেতে কার্পেট পাতলে ঘর অনেক বেশি এলিগেন্ট লাগে। তবে এই ঈদ যেহেতু বেশ গরমের সময় পড়েছে তাই শতরঞ্জি বা শীতল পাটিও ব্যবহার করতে পারেন। ঈদের দিন ঘরের কর্নারগুলোতে রাখতে পারেন ইনডোর প্লান্টস বিভিন্ন ধরনের ল্যাম্পশেড কিংবা ফুলদানিতে পছন্দের তাজা ফুল।

আয়না

আয়না দিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরের যেকোনো দেয়াল। এখন বাজারে নানা দামে ও নকশায় আয়না কিনতে পাওয়া যায়। আলোর বিপরীতে আয়না রাখুন, ঘরের ভেতরটা ঝলমলে এবং বেশ খোলামেলা দেখাবে। করিডর থাকলে সেখানে একটি বড় আয়না ঝুলিয়ে দিতে পারেন। খরচ কিন্তু খুব বেশি হবে না।

 

ওয়াল স্টিকার

একেক ঘরে একেক রকম ওয়াল স্টিকার ব্যবহার করতে পারেন। স্টিকার কোন ঘরে ব্যবহার করছেন এবং সেই ঘরে দেয়ালের কী রং, সেটা মাথায় রেখে স্টিকার বেছে নিন।

দেয়ালচিত্র

পারিবারিক ছবির পাশাপাশি নানা রকম ছবি ঝুলিয়ে দিতে পারেন ঘরের দেয়ালে। কোনো নির্দিষ্ট ধরন বা প্যাটার্ন অনুসরণ করে ছবিগুলো রাখতে পারেন দেয়ালে, আবার এলোমেলোভাবেও রাখতে পারেন।

নকশি পাখা, শীতলপাটি, ডালা, হাঁড়ি, মাটির পুতুল দিয়ে ঘর সাজাতে পারেন। এগুলোর কোনোটাতেই খুব বেশি খরচ হবে না। কিন্তু আপনার ঘর হয়ে উঠবে নান্দনিক। টবে তাজা গাছও থাকতে পারে ঘরের বিভিন্ন কোণে।

 

রান্নাঘর

বাড়িতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ রান্নাঘর। ঈদের মতো উৎসবে তো এর গুরুত্ব আরো বেশি। সবার আগে রান্নাঘরটা পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। এখনই মনোযোগ দিন সেদিকে।

যে জিনিসগুলোর ব্যবহার নেই, সেগুলো ফেলে দিন। বঁটি, ছুরি আগেই ধার দিয়ে আনুন এবং হাতের কাছে রাখুন। মসলার পাত্র, তাক সব পরিষ্কার করে রাখুন।

মসলার পাত্রের গায়ে নাম লিখে গুছিয়ে নিতে পারেন, যেন হাতের নাগালেই পেয়ে যান।

ঈদের দিনের কাজের চাপ কমাতে কিছু বিশেষ ফ্রোজেন খাবার আগেই ঘরে রাখতে পারেন।

যতটা সম্ভব জায়গা খালি করে ফ্রিজ পরিষ্কার করে রাখুন, তাতে ঈদের রান্না করা খাবার রাখতে সুবিধা হবে।

আগেই চেক করুন প্লেট-গ্লাস, কাপ-পিরিচ, চামচ সব সেট মেলানো আর গোছানো আছে কি না। শোকেস আর কিচেন কেবিনেট থেকে সব কিছু বের করে পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখুন।



সাতদিনের সেরা