• ই-পেপার

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন

পর্যবেক্ষক এলে ভালো, না এলে কী যায় আসে

উক্তি

উক্তি

৪০ বছর আমিও এই সংসদে কাটিয়েছি। বিরোধী দলেরও সদস্য ছিলাম। একটি কানাকড়িও কোনোদিন পাইনি।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম

স্পিকার

ফটোকার্ড নিয়ে প্রতারণা

কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের জিডি

দেশের স্বনামধন্য পত্রিকা দৈনিক কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের নাম, লোগো, ডিজাইন অনুকরণ করে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানার ওসি বরাবর এক আবেদনের মাধ্যমে কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) মো. আব্দুর রহিম এই জিডি (নম্বর ৩৪৭৩) করেন। একই দিন বাংলাদেশ প্রতিদিনের পক্ষে একই থানায় জিডি (নম্বর ৩৪৭২) করেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) নাফিজ আজিম। একই কারণে বাংলাদেশ প্রতিদিনের পক্ষ থেকেও জিডি করা হয়।

জিডির আবেদনে মো. আব্দুর রহিম উল্লেখ করেন, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কালের কণ্ঠের নাম, লোগো ও ডিজাইন নকল করে বিভিন্ন বিষয়ে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন

 প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব ফটোকার্ডের সঙ্গে কালের কণ্ঠের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তবে সাধারণ পাঠক ও জনসাধারণ এগুলোকে কালের কণ্ঠের প্রকাশনা হিসেবে ভুল বুঝছেন, যার ফলে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম, বিশ্বাসযোগ্যতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আবেদনে আরো বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং এটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা। ভবিষ্যতে এমন অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের স্বার্থে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের কণ্ঠের পক্ষ থেকে আবেদনে ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী বলেন, ‘দেশ-বিদেশে পাঠকদের মাঝে কালের কণ্ঠের যে সুনাম, তা ক্ষুণ্ন করতে কিছু অসাধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমরা আশা করি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে। আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

জিডির তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই আব্দুল ওয়াদূত বলেন, ‘জিডির কপি পেয়েছি। ডিবি সাইবার ইউনিটের সহযোগিতা নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করছি। আশা করি, দ্রুতই তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পারব।’

ভাটারা থানার ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বলেন, পাঠকনন্দিত এ পত্রিকা নিয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনতে এরই মধ্যে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তসাপেক্ষ জড়িতদের শনাক্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বার্তা বিভাগের প্রধান জানান, একটি কুচক্রী মহল ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড ছড়াচ্ছে। তাদের তৈরি করা ভুয়া ফটোকার্ড বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব ফটোকার্ড ভুয়া ও ভিত্তিহীন। এগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিদিনের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।

এ ব্যাপারে পাঠকদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানিয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড দ্বারা বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা বন্ধ না করা হলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।

সব সময় সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে বাংলাদেশ প্রতিদিনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ (https:/ww/w.facebook.com/dailybangladeshpratidin) এবং ওয়েবসাইট (https:/ww/w.bd-pratidin.com/) অনুসরণের আহবান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের পক্ষে থানায় জিডি করেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) নাফিজ আজিম। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, লক্ষ করা যাচ্ছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বাংলাদেশ প্রতিদিনের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ে সংবাদ তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচার ও ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব ভুয়া সংবাদের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিদিনের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। অথচ সাধারণ পাঠক ও জনসাধারণ এগুলোকে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রকাশনা হিসেবে ভুল বুঝছেন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম, বিশ্বাসযোগ্যতা ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এতে করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

জিডিতে তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
আহসান হাবিব

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আহসান হাবিব। বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

গতকাল এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে তিনি এনবিআরের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নতুন এনবিআর চেয়ারম্যান ১৫তম বিসিএস (ট্যাক্সেশন) ক্যাডারের কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এ ছাড়া বিসিএস পরীক্ষায়ও তিনি তাঁর ব্যাচে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

কর্মজীবনে তিনি কর অঞ্চল-১৫-এর কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সিআইসির মহাপরিচালক থাকাকালে কর ফাঁকি ও আর্থিক অনিয়মসংক্রান্ত বেশ কয়েকটি আলোচিত অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি। অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম ‘উল্কাগেমস’ থেকে বকেয়া কর আদায়ের উদ্যোগেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

বর্তমানে তিনি বিসিএস ট্যাক্সেশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।

 

 

সংসদে সড়কমন্ত্রী

কর্ণফুলী টানেলে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
কর্ণফুলী টানেলে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি
শেখ রবিউল আলম

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলে প্রতি মাসে যে পরিমাণ টাকা আয় হয়, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে তার দ্বিগুণ ব্যয় হয়। টানেলের ভেতরে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ, লাইটিং, বায়ু চলাচল, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। ওই সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী শেখ রবিউল বলেন, কর্ণফুলী টানেল চালুর পর প্রাথমিক পর্যায়ে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে দৈনিক প্রায় ৩৭ লাখ টাকা ব্যয় হতো। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা, কৃচ্ছ্রসাধন নীতি ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টার ফলে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় হ্রাস করে দৈনিক ২২-২৩ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী আরো জানান, কর্ণফুলী টানেলে টোল থেকে প্রতি মাসে গড়ে তিন কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা আয় হয়। অন্যদিকে ব্যয় হয় ছয় কোটি ৯৫ লাখ ১৮ হাজার ৬৯১ টাকা।  কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প লাভজনক করতে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

পর্যবেক্ষক এলে ভালো, না এলে কী যায় আসে | কালের কণ্ঠ