kalerkantho

সোমবার । ২৮ নভেম্বর ২০২২ । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শুভ শক্তির প্রত্যাশায় কৈলাসে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুভ শক্তির প্রত্যাশায় কৈলাসে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গতকাল দেবী দুর্গাকে বিসর্জন দেওয়া হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীতে দুই বছর পর ফের ফিরেছে চিরচেনা আনন্দ উৎসব। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আনন্দ আয়োজনে দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গাকে বিদায় জানিয়েছে ভক্তরা। মর্ত্যে বাবার বাড়ি বেড়ানো শেষে নৌকায় কৈলাসে দেবালয়ে ফিরে গেছেন দেবী দুর্গা। মায়ের কাছে অসুর শক্তি বিনাশের প্রার্থনা করেছে ভক্তরা।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার বিজয়া দশমীতে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ‘বিহিতপূজা’ এবং পরে ‘দর্পণ বিসর্জনের’ মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার শাস্ত্রীয় সমাপ্তি টানা হয়। দশমী পূজায় প্রতিমার হাতে জরা, পান, শাপলার ডালা দিয়ে আরাধনা করা হয়। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে ভক্তরা। বিকেল ৪টায় বুড়িগঙ্গা নদীর ওয়াইজঘাটের বীণাস্মৃতি স্নানঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে দেবীকে বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিদায়ের করুণ সুরে সারিবদ্ধভাবে একে একে বুড়িগঙ্গা নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয় প্রতিমা। একই সময়ে তুরাগ নদেও চলে বিসর্জন। রাজধানীর প্রায় অর্ধশত মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় ওয়াইজঘাটে। সন্ধ্যার আগেই বেশির ভাগ এলাকায় বিসর্জন শেষ হয়।

প্রতিমা বিসর্জনের উদ্দেশ্যে ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গন থেকে কেন্দ্রীয় বিজয়া শোভাযাত্রা বের করা হয়। দুপুরে পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির যৌথ উদ্যোগে বের করা হয় বর্ণাঢ্য এ বিজয়া শোভাযাত্রা। ঢাকেশ্বরী থেকে শুরু করে শোভাযাত্রাটি শহীদ মিনার, হাইকোর্ট, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, গোলাপ শাহ মাজার, কোর্ট এলাকা হয়ে সদরঘাট পৌঁছায়।

মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল বলেন, ‘এবার পূজা উদযাপনের মাধ্যমে সব অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির বিকাশ ঘটবে। সামপ্রদায়িক  অশুভ শক্তির বিনাশ  ঘটিয়ে অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে— এমনটাই প্রত্যাশা করি। ’

দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের সমাপ্তি হলো।

কক্সবাজার সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন

ভক্তদের উপস্থিতিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গতকাল শেষ হয়েছে প্রতিমা বিসর্জন। রং ছিটিয়ে, আতশবাজি ফুটিয়ে, ঢাকঢোল বাজিয়ে বের করা হয় শোভাযাত্রা। বিসর্জন উপলক্ষে সৈকতে বিপুল সমাগম হয় দেশি-বিদেশি পর্যটকের।

গতকাল দুপুরের পর থেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বহনকারী ট্রাকগুলো কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের দিকে আসতে থাকে। সৈকতের লাবনী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান।



সাতদিনের সেরা