kalerkantho

সোমবার । ২৮ নভেম্বর ২০২২ । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নোয়াখালীতে বিয়েবাড়িতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

রংপুর অফিস ও নোয়াখালী প্রতিনিধি   

৬ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নোয়াখালীতে বিয়েবাড়িতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে এবার বিয়েবাড়িতে এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। কবিরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়ায় রাত ২টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীতে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে তার গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় পুলিশ পরিচয়ে সম্পর্ক গড়ে নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কবিরহাট উপজেলায় অভিযুক্ত যুবকের নাম মোহাম্মদ টিপু (২৫)। তিনি উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের কালামুন্সি বাজারসংলগ্ন মালিপাড়া এলাকার নুরনবী মেম্বার বাড়ির মোহাম্মদ রফিকের ছেলে।

নির্যাতিত কিশোরীর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত যুবক ও নির্যাতিত কিশোরী দূরসম্পর্কের আত্মীয়। গত মঙ্গলবার ওই কিশোরী তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যায়। এক পর্যায়ে তার মা-বাবা বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে তাদের বাড়িতে চলে যান। পরে টিপু কৌশলে

কিশোরীকে বিয়েবাড়ির একটি ভবনের ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে টিপু ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মহিউদ্দিন আজিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ওই কিশোরীকে ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীর রক্তক্ষরণ হয়েছে। গতকাল বুধবার কিছু পরীক্ষা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবারও কিছু পরীক্ষা করা হবে।

জানতে চাইলে কবিরহাট থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, পুলিশ রাত ২টার দিকে খবর পেয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা গতকাল থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পলাতক। আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

রংপুরে যুবক গ্রেপ্তার

রংপুরনগরের হারাগাছ পৌরসভার বানুপাড়া কলেজ মাঠ এলাকা থেকে গত মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম সোহেল রানা (২৭)। গতকাল বুধবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মঙ্গলবার রাতে সোহেল রানাকে আসামি করে হারাগাছ থানায় মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে মোবাইল ফোনে সোহেলের সঙ্গে মামলার বাদীর পরিচয় হয়। তখন নিজেকে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিচয় দেন সোহেল। এক পর্যায়ে সোহেলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক হয়। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভিডিও কলে তাঁর নগ্ন ভিডিও ধারণ করেন সোহেল। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর সোহেল রানা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থেকে হারাগাছে আসেন এবং ভিডিওটি পরিবারকে দেখানোর ভয় দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন। ৩ অক্টোবর রাতে আবার হারাগাছে এসে ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সোহেল। তখন তাঁর চিৎকারে পাশের ঘর থেকে স্বামী এসে সোহেলকে আটক করেন। পরে পৌর কাউন্সিলরের পরামর্শে সোহেলকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশে দেওয়া হয়।

 

 

 



সাতদিনের সেরা