kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

ছোট তিন স্থাপনা উচ্ছেদ, বড়গুলোকে সময়

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অবৈধ স্থাপনা

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

২৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




ছোট তিন স্থাপনা উচ্ছেদ, বড়গুলোকে সময়

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা ভেঙে দিচ্ছে প্রশাসন। গতকাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান চলে। ছবি : কালের কণ্ঠ

পরিবেশগত সংকটাপন্ন প্রবালদ্বীপ কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্ট মার্টিনে হোটেল-রিসোর্টের নির্মাণাধীন অন্তত ১১টি স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনটি রিসোর্টের সেমিপাকা ভবন ভেঙে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বড় চারটি রিসোর্টকে সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভবন ভাঙার জন্য বড় তিন রিসোর্টকে এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

ঢাকার তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ আবদুর রশীদের মালিকানাধীন ‘ড্রিমার্স প্যারাডাইস’ রিসোর্টকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইভাবে দ্বীপের অবৈধ স্থাপনার দায়ে ‘ফ্রেন্ডস’ রিসোর্টকে ৫০ হাজার ও ‘আটলান্টিক’ রিসোর্টকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনটি রিসোর্টকেই নিজ ব্যবস্থাপনায় ভবনগুলো ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ‘প্রিন্স হ্যাভেন’ রিসোর্টকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

গত বুধবার কালের কণ্ঠে ‘নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই হচ্ছে হোটেল-রিসোর্ট’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

গতকাল অভিযানের শুরুতে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন হকের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। দ্বীপের পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজহারুল ইসলামসহ পরিবেশকর্মী ও পুলিশের অভিযানে আটলান্টিক রিসোর্টকে পাকা স্থাপনা নির্মাণের দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আজহারুল ইসলাম জানান, গতকাল সকাল ১১টার দিকে দ্বীপে সাগরের পানিছোঁয়া সৈকতে নির্মাণাধীন ড্রিমার্স প্যারাডাইস এবং আটলান্টিক ও ফ্রেন্ডস রিসোর্টকে সাত দিনের মধ্যে নিজেদের খরচে স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি তিনটি সেমিপাকা ছোট রিসোর্ট হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে দেন পরিবেশকর্মীরা।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ রক্ষায় মতবিনিময় : সেন্ট মার্টিন দ্বীপসহ আশপাশের এক হাজার ৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া (এমপিএ) ঘোষণা করার বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরতে একটি মতবিনিময়সভা আহ্বান করেছে জেলা প্রশাসন। আগামী রবিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে এ সভা ডাকা হয়েছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপটিকে আমাদের রক্ষা করতেই হবে। এ কারণে দ্বীপ ও দ্বীপ সন্নিহিত সাগরের পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদেরই সচেতন করা দরকার। ’

 



সাতদিনের সেরা